৫২ হাজার করোনা আক্রান্ত একদিনে, তবে সুস্থতার হার বেড়েছে, কোভিড টেস্ট হয়েছে ২ কোটির বেশি

আজকের সকালের বুলেটিনে দেখা গেছে, দেশে করোনা সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ৫ লাখ ৮৬ হাজার ২৯৮ জন। গাণিতিক হিসেবে গবেষকরা আগেই দাবি করেছিলেন, অগস্টে করোনা অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা বাড়বে দেশে। কারণ এফেক্টিভ রিপ্রোডাকশন রেট তথা ‘আর নম্বর’ ১.১৭ পয়েন্টেই থিতু হয়ে গেছে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সোমবারের থেকে সংখ্যাটা কিছুটা কমল। গতকাল একদিনে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৫৩ হাজারের কাছাকাছি, আজ, মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের হিসেবে একদিনে সংক্রামিতের সংখ্যা ৫২ হাজার ৫০ জন। দেশে মোট কোভিড পজিটিভ রোগী সাড়ে ১৮ লাখেরও বেশি। তবে স্বস্তির বিষয় হল, করোনায় মৃত্যুহার কমেছে দেশে, বরং সুস্থতার হার অনেক বেড়েছে। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চের হিসেবে দেশে কোভিড টেস্টের সংখ্যা ২ কোটি পেরিয়েছে। সেই সঙ্গেই বেড়েছে কনট্যাক্ট ট্রেসিং।

আজকের সকালের বুলেটিনে দেখা গেছে, দেশে করোনা সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ৫ লাখ ৮৬ হাজার ২৯৮ জন। গাণিতিক হিসেবে গবেষকরা আগেই দাবি করেছিলেন, অগস্টে করোনা অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা বাড়বে দেশে। কারণ এফেক্টিভ রিপ্রোডাকশন রেট তথা ‘আর নম্বর’ ১.১৭ পয়েন্টেই থিতু হয়ে গেছে। এই আর নম্বর একের নীচে নামলেই করোনা অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা কমে যাবে। সংক্রমণ বৃদ্ধির হারও কমবে।

করোনা সংক্রমণে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ৮০৩ জনের। সেই সঙ্গেই দেশে ভাইরাস সংক্রমণে মৃতের সংখ্যা ৩৮ হাজার ছাড়িয়েছে।

মহারাষ্ট্রে প্রায় ৯ হাজার নতুন সংক্রমণ ধরা পড়েছে, রাজ্যে এখন কোভিড পজিটিভ রোগীর সংখ্যা সাড়ে চার লাখের বেশি। করোনা সংক্রমণ বেড়েছে অন্ধ্রপ্রদেশেও। সেখানে এখন করোনা অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা ৭৬ হাজারের কাছাকাছি। সংক্রমণের নিরিখে দিল্লিকেও ছাপিয়ে গেছে অন্ধ্রপ্রদেশ।

অন্যদিকে, রাজধানীতে গত কয়েকদিন ধরে সংক্রমণ বৃদ্ধির হার কম। অ্যাকটিভ রোগী ১০ হাজারের কাছাকাছি। করোনা সারিয়েছেন ১ লাখ ২৪ হাজারের বেশি। দিল্লিজুড়েই সেরো সার্ভে চলছে।

গুজরাটে এখন কোভিড অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা ১৪ হাজার ৫৯৯। তামিলনাড়ুতে ইতিমধ্যেই কোভিড পজিটিভ রোগীর সংখ্যা ২ লাখ পেরিয়েছে। অ্যাকটিভ কেস ৫৬ হাজার ৬৯৮।

এদিকে করোনা সংক্রমণ বেড়েই চলেছে কর্নাটকে। সুস্থও হয়েছেন ৬২ হাজারের বেশি মানুষ।

করোনায় মৃত্যুহার আরও কমেছে দেশে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের হিসেবে গত শনিবার অবধি মৃত্যুহার ছিল ২.১৫%। গতকাল অর্থাৎ সোমবারের বুলেটিনে দেখা গেছে, মৃত্যুহার এক ধাক্কায় কমে দাঁড়িয়েছে ২.১৩ শতাংশে। বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় ভারতে করোনায় মৃত্যুহার সবচেয়ে কম। জুলাই মাসের মাঝামাঝি থেকেই মৃত্যুহার কমতে শুরু করেছিল। গত সপ্তাহে কোভিড ডেথ রেট ছিল ২.৩৩%। এখন কমে দাঁড়িয়েছে ২.১৩ শতাংশে। গত ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমণ সারিয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন প্রায় ৪৪ হাজার ৩০৬ জন কোভিড রোগী। দেশে এখন সুস্থ হয়ে ওঠাদের সংখ্যা ১২ লাখ ৩০ হাজার ৫০৯ জন। সুস্থতার হার বেড়েছে ৬৫.৮%।

ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ (আইসিএমআর) জানাচ্ছে, কোভিড টেস্ট, কনট্যাক্ট ট্রেসিং ও ট্রিটমেন্ট এই তিন ‘টি’ ফর্মুলায় সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে দেশজুড়েই। এখনও অবধি কোভিড টেস্ট হয়েছে ২ কোটি ৮ লক্ষ ৬৪ হাজার ৭৫০টি। শুধুমাত্র ৩১ জুলাই করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৫ লাখ ২৫ হাজার। রবিবার অর্থাৎ ২ অগস্ট প্রায় চার লাখের কাছাকাছি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছিল। সোমবার, ৩ অগস্ট দেশজুড়ে কোভিড টেস্ট হয়েছে ৬ লাখ ৬১ হাজার ৮৯২, যা এখনও অবধি সর্বাধিক। আইসিএমআর জানাচ্ছে, আগে দেশে মাত্র ৫২টি ল্যাবরেটরিতে করোনা পরীক্ষা শুরু হয়েছিল, এখন সরকারি ও বেসরকারি মিলিয়ে ১৩৪৮টি ল্যাবরেটরিতে কোভিড টেস্ট করা হচ্ছে, যার মধ্যে ৯১৪টি সরকারি ও ৪৩৪টি বেসরকারি ল্যাবরেটরি রয়েছে। শুধুমাত্র রিয়েল টাইম আরটি-পিসিআর টেস্টই হচ্ছে ৬৮৬ টি (সরকারি ৪১৮ ও বেসরকারি ২৬৮) ল্যাবরেটরিতে। কনট্যাক্ট ট্রেসিং বাড়ানো হয়েছে দিল্লি, বেঙ্গালুরু, মহারাষ্ট্রে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More