বউয়ের দাঁত খারাপ, তিন তালাক দিলেন যুবক

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিয়ের পাঁচ মাসের মধ্যেই বউয়ের দাঁত খারাপের অভিযোগ তুলে তিন তালাক দিলেন যুবক। এই ঘটনায় যুবকের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন স্ত্রী।

    ঘটনাটি হায়দরাবাদের কুশাইগুড়া এলাকার। ২০১৯ সালের ২৭ জুন নিকাহ হয় মুস্তাফা ও রুকসানা বেগমের। পুলিশ সূত্রে খবর, রুকসানার অভিযোগ বিয়ের পর থেকেই পণের জন্য তাঁর উপর চাপ দিতেন শ্বশুরবাড়ির লোকেরা। তাঁর স্বামীও তাঁকে কথা শোনাতেন। তারপরেই তাঁর দাঁত নিয়ে কথা শোনানো শুরু হয়। বুধবার এই দাঁত খারাপের কথা বলেই নাকি রুকসানাকে তিন তালাক দেন মুস্তাফা।

    এরপরেই কুশাইগুড়া থানায় মুস্তাফার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন রুকসানা। বৃহস্পতিবার মুস্তাফার বিরুদ্ধে আইপিসির ৪৯৮এ ধারা ও পণ আইনে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এই ঘটনার পর থেকেই মুস্তাফা পলাতক। তাঁর খোঁজ করছে পুলিশ।

    কুশাইগুড়া থানার সার্কেল ইনস্পেক্টর কে চন্দ্রশেখর জানিয়েছেন, “রুকসানা বেগমকে তিন তালাক দেওয়া ও তাঁর উপর পণ চেয়ে নির্যাতন করার ঘটনায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। দোষীর বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” রুকসানা অভিযোগ করেছেন, “নিকাহর সময় মুস্তাফা এবং ওর পরিবার অনেক কিছু দাবি করেছিলেন। আমার বাবা-মা সব দাবি পূরণ করেছেন। কিন্তু নিকাহর পর থেকেই আমার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোক আমার উপর অত্যাচার করা শুরু করেন। আমাকে আরও বেশি টাকা ও সোনা আনতে বলে চাপ দিতেন। আমার ভাইয়ের বাইকও নিয়ে নিয়েছিলেন মুস্তাফা। আমার স্বামী আমার দাঁত নিয়ে খোঁটা দিতেন। ১৫দিন আমাকে শ্বশুরবাড়ির একটা ঘরে আটকে রাখা হয়েছিল।”

    রুকসানা আরও বলেন, “অসুস্থ হয়ে পড়লে আমাকে বাপের বাড়ি পাঠানো হয়। তারপর থানায় অভিযোগের কথা বললে শ্বশুরবাড়ির লোকেরা এসে বলেন আমাকে শ্বশুরবাড়িতে ফিরিয়ে নিয়ে যাবেন। কিন্তু বুধবার রাতে মুস্তাফা এসে বলেন আমাকে ফিরিয়ে নিয়ে যাবেন না। আমার দাঁত খারাপ। এই কথা বলে তিন তালাক দেন আমাকে। তারপরেই আমি থানায় অভিযোগ দায়ের করি। আমার বিচার চাই।”

    পড়ুন ‘দ্য ওয়াল’ পুজো ম্যাগাজিন ২০১৯–এ প্রকাশিত গল্প

    প্রতিফলন

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More