ইঞ্জিনিয়ারিং পড়া ছেড়ে ডাকাতি! লক্ষ লক্ষ টাকা, সোনা-সহ ধরা পড়ল যুবক

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: ইঞ্জিনিয়ারিং পড়া শেষ করে চাকরি খোঁজা, অনেক সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। কাড়ি কাড়ি টাকা রোজগার করতে গেলে সহজ পন্থা চুরি-ডাকাতি। এটাই মনে মনে ঠিক করে নিয়েছিল যুবক। মাঝ পথে পড়া থামিয়ে তাই কোমর কষেই ডাকাতিতে নেমে পড়ে সে। ধরা পড়েও প্রমাণের অভাবে ছাড়া পেয়ে যায়। তার ‘স্মার্ট’ ডাকাতি দেখে হতভম্ব পুলিশ কর্তারাও।

    রঙ্গা রেড্ডি জেলার বালাপুরের বাসিন্দা ওই যুবকের নাম নেনাবথ বিনোদ কুমার। তাকে বাগে পেতে বেশ কসরৎ করতে হয় ইস্ট টাস্ক ফোর্সের অফিসারদের। যুবকের কাছ থেকে ২২ লক্ষ নগদ টাকা, কেজি কেজি সোনা, রূপো উদ্ধার করেছে পুলিশ।

    ইব্রাহিমপাটনামের এভিএন ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের বিটেকের ছাত্র বিনোদ পড়াশোনায় খুব একটা খারাপ ছিল না। তবে তার টাকার লোভ ছিল সাঙ্ঘাতিক। হায়দরাবাদ পুলিশ কমিশনার অঞ্জনী কুমারের কথায়, বিনোদ একই এলাকায় ডাকাতি করতো না। নানা জায়গা ঘুরে টোপ পেতে টাকা ছিনতাই করতো সে। ২০১৫ সালে একবার পুলিশের হাতে ধরা পড়ে কিছুদিন জেল খাটে। তবে উপযুক্ত প্রমাণের অভাবে তাকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হন পুলিশ কর্তারা।

    ২০১৫ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত সে চুপচাপই ছিল। ফের ডাকাতির কাজে হাত পাকিয়ে ফেলে সে। এ যাবৎ অন্তত ১৪টি বাড়িতে হানা দিয়েছে বিনোদ। অসংখ্য দোকানও তার নিশানায় ছিল। সোনা চুরি করে কৌশলে স্যাঁকরার কাছে সোনা গলিয়ে নিত সে, পরে ভিন রাজ্যে গিয়ে চড়া দামে বেচে দিত। গুজরাটের বদোদরায় নেহা জুয়েলার্সের মালিক মদন কুমারের কাছে কেজি কেজি সোনা বিক্রি করেছে বিনোদ।

    ডিসিপি সি চৈতন্যকুমারের কথায়, লোভের ফাঁদ পেতেই ধরা হয় বিনোদকে। তার সংগ্রহে থাকা সোনা ও রূপো দেখে চোখ কপালে উঠেছে পুলিশের।  ধরা পড়ার পরেও বিন্দুমাত্র অনুশোচনা দেখা যায়নি তার মধ্যে। পুলিশ জানিয়েছে, আপাতত তাকে জেল হেফাজতে রাখা হয়েছে। পরে তোলা হবে আদালতে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More