হিটলার-মুসোলিনিও গণতন্ত্র থেকে উঠে এসেছিলেন, সিএএ বিরোধী আন্দোলন নিয়ে মন্তব্য রাম মাধবের

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে আন্দোলনে ‘দমন-পীড়নের’ অভিযোগ তুলে বিরোধীরা যখন নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে হিটলার-মুসোলিনির নাম জুড়ে দিচ্ছেন, তখন ইতালি ও জার্মানির সেই দুই একনায়কদেরই উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরলেন বিজেপি সাধারণ সম্পাদক রাম মাধব।

    একটি প্যানেল আলোচনায় রামবাধব বলেন, “হিটলার-মুসোলিনিও গণত্নত্র থেকে উঠে এসেছিলেন।” অনেকের মতে রামমাধব আসলে বলতে চেয়েছেন, গত শতাব্দীর চারের দশকে জার্মানি বা ইতালিতে যে গণতন্ত্র ছিল তা থেকে আজকে বিস্তর পরিবর্তন হয়েছে। হিটলার, মুসোলনিরাও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মাধ্যমেই উঠে এসেছিলেন। কিন্তু আজকের গণতন্ত্রে প্রকাশ্যে বিরোধিতা করা যাচ্ছে, রাস্তায় নেমে নরেন্দ্র মোদীর সমালোচনা করা যাচ্ছে। তিনি বলতে চেয়েছেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে গণতন্ত্র আসলে পরিনত হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ভারতের নতুন ক্ষেপণাস্ত্র এস-৪০০ আসছে ২০২৫-এই, চিন-পাকিস্তানের তুলনায় আরও শক্তিশালী প্রতিরক্ষা

    পর্যবেক্ষকদের মতে, একদিক থেকে রামমাধবের কথা ঠিকই। ভারতের গণতন্ত্র যত পথ এগিয়েছে, তত সমৃদ্ধ হয়েছে। তাঁদের মতে, আজ থেকে ১৫ বছর আগেও এই ধরনের আন্দোলন ভাবা যেত না। সংসদে আইন পাশ হয়ে যাওয়ার পর কোনও অঙ্গরাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ‘মানব না’ বলতে পারছেন—এটাও ভাবা যেত না। অনেকের মতে রাম মাধব সেটাই ইঙ্গিত করতে চেয়েছেন। বলতে চেয়েছেন, এঁরাও গণতন্ত্র থেকে উঠে আসা হিটলার, মুসোলিনির মতোই।

    রাম মাধব ওই আলোচনায় আরও বলেছেন, “অত্যন্ত গণতান্ত্রিক ভাবেই এই আইন পাশ হয়েছে। সংসদে বিল পেশ হয়েছে, আলোচনা হয়েছে, ভোটাভুটি হয়েছে, তারপর আইন পাশ হয়েছে।” তাঁর কথায়, “যাঁরা আন্দোলন করছেন, তাঁরা গণতন্ত্রকে নির্দিষ্ট জায়গা থেকে রাস্তায় নামিয়ে এনেছেন।” হুঁশিয়ারির সুরে আরএসএস থেকে উঠে আসা এই নেতা বলেন, “সরকার সমালোচনা শুনতে প্রস্তুত। কিন্তু কোনও হিংসাকে বরদাস্ত করা হবে না।” তিনি আরও বলেন, “আন্দোলনকারীরা এমন সব কথা বলছেন তাতে মনে হচ্ছে ওসামা বিন লাদেনের হাতে যদি শাসন ক্ষমতা থাকত তাহলে বুঝি ভাল হতো!”

    এই আইনকে সরাসরি সাম্প্রদায়িক বলে তোপ দেগেছে বিরোধীরা। যদিও রাম মাধব বলেছেন, “এই আইনে বিন্দুমাত্র পক্ষপাত নেই। ১৯৫৫ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত যাঁরা এদেশে এসেছেন ধর্মীয় নিপীড়নের শিকার হয়ে, এই আইন শুধু তাঁদের নাগরিকত্ব দেওয়ার আইন। এর বাইরে আর কিচ্ছু নয়।”

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More