শুক্রবার, জানুয়ারি ২৪
TheWall
TheWall

Breaking: এনকাউন্টারে মৃতদের দেহ ৯ তারিখ পর্যন্ত সংরক্ষিত রাখতে হবে, নির্দেশ তেলেঙ্গানা হাইকোর্টের

Google+ Pinterest LinkedIn Tumblr +

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত চার জনের পুলিশ এনকাউন্টারে মৃত্যুর ঘটনায় হস্তক্ষেপ করল তেলেঙ্গানা হাইকোর্ট। শুক্রবার হাইকোর্ট রায়ে স্পষ্ট জানিয়ে দিল, ৯ ডিসেম্বর অর্থাৎ সোমবার পর্যন্ত মৃতদের দেহ সংরক্ষিত করে রাখতে হবে।

শুক্রবার ভোর রাতে পুলিশি এনকাউন্টারে মৃত্যু হয় চার অভিযুক্তের। তারপর দেশ জুড়ে বহু মানুষ সাইবারাবাদ পুলিশের প্রশংসা করতে শুরু করেছে। কিন্তু এ ঘটনার বিরুদ্ধে সরব মানবাধিকার কর্মী-সহ সমাজের অনেকেই। তাঁদের মতে, তদন্ত ও বিচার না করে এ হল ঠাণ্ডা মাথার খুন। সাজানো এনকাউন্টার। এই বক্তব্য জানিয়ে তেলেঙ্গানা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে আবেদনও জমা পড়েছে।

তা বিবেচনা করে এদিন সন্ধ্যায় হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছে, পোস্ট মর্টেমের ভিডিও ফুটেজ একটি কম্প্যাক্ট ডিস্ক বা পেন ড্রাইভে নিয়ে তা মেহবুবনগরের মুখ্য জেলা বিচারকের কাছে পেশ করতে হবে। 

একই সঙ্গে মেহবুবনগরের মুখ্য জেলা বিচারককে তা গ্রহণ করার নির্দেশ দিয়ে বিচারপতিরা বলেছেন, পেন ড্রাইভ বা কম্প্যাক্ট ডিস্ক শনিবার বিকেলের মধ্যে হাইকোর্টের রেজিস্ট্রারের কাছে জমা দিতে হবে।

দশ দিন আগে হায়দরাবাদে ৪৪ নম্বর জাতীয় সড়কের কাছে এক তরুণীকে ধর্ষণ করে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। টোল প্লাজার কাছে ওই ঘটনা ঘটেছিল। এরপর সিসিটিভি ফুটেজ দেখে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে পুলিশ।

হায়দরাবাদের ওই ঘটনায় গোটা দেশ জুড়ে তোলপাড় পড়ে যায়। তারই মধ্যে উন্নাওয়ে এক ধর্ষিতা তরুণীকে আদালত চত্বরের কাছেই গায়ে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার ঘটনা নিয়ে মানুষের ক্ষোভের জ্বালামুখ খুলে যায়।

এসবের মাঝে শুক্রবার সকালে সাইবারাবাদ পুলিশ জানায়, অভিযুক্ত চার জনকে নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছিল পুলিশ। ঘটনাটা তারা কীভাবে ঘটিয়েছিল তা পুনর্নিমাণ করার জন্যই তাদের নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। কিন্তু তাদের মধ্যে দু’জন অভিযুক্ত পুলিশের বন্দুক ছিনিয়ে নিয়ে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে। তাই বাধ্য হয়ে আত্মরক্ষার স্বার্থে ওই চার জনের উপর গুলি চালাতে হয় পুলিশকে। তাতে অভিযুক্ত চারজনেরই মৃত্যু হয়েছে। 

সারাদিন ধরে পুলিশ এসব যুক্তি ও বিবরণ দিলেও অনেকের কাছে তা গ্রাহ্য মনে হয়নি। তাঁরা মনে করছেন, এটা ভুয়ো এনকাউন্টার। ঠিক যেমন হিন্দি সিনেমায় হয়। কিন্তু এভাবে অভিযুক্তকে মেরে দেওয়া কোনওভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়। তারাই আসল অভিযুক্ত কিনা তাও তো আদালতে প্রমাণ হল না। এই অভিযোগ নিয়েই একাংশ মানবাধিকার কর্মী আবেদন জানিয়েছেন তেলেঙ্গানা হাইকোর্টে।

Share.

Comments are closed.