বিতর্কিত মন্তব্যে সমালোচনার মুখে পড়ে ক্ষমা চাইলেন বিজেপি-র টিকটক তারকা প্রার্থী সোনালি

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রবল বিতর্কের মুখে পড়ে অবশেষে ক্ষমা চাইলেন হরিয়ানা বিধানসভা ভোটে বিজেপি-র অন্যতম তারকা প্রার্থী সোনালি ফোগাট। টিকটক স্টারকে এ বার ভোটে টিকিট দিয়েছে গেরুয়া শিবির। ভোট প্রচারে বেরিয়ে সোনালি বলে বসেন, “যাঁরা ভারত মাতা কি জয় বলতে পারেন না, তাঁদের ভোটের কোনও মূল্য নেই।” তাঁর টিকটক ভিডিওর মতোই এই ভিডিও ভাইরাল হতেও বেশি সময় লাগেনি। চাপের মুখে পড়ে মঙ্গলবার ক্ষমা চাইলেন সোনালি।

সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে সোনালি বলেন, “যদি কেউ আমার কোনও কথায় আঘাত পেয়ে থাকেন, তাহলে তাঁদের কাছে আমি ক্ষমা চাইছি।” একই সঙ্গে তিনি বলেন, “আমি বোঝাতে চেয়েছিলাম, ভারত মাতা কি জয় আমাদের সকলের বলা উচিত। এটা আমাদের দেশের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর একটা মাধ্যম।”

আগামী ২১ অক্টোবর ভোট হবে হরিয়ানায়। ৪০ বছর বয়সী সোনালিকে বিজেপি প্রার্থী করেছে আদমপুর কেন্দ্রে। তাঁর বিরুদ্ধে রয়েছেন কংগ্রেসের কুলদীপ বিষ্ণোই। তিনি হরিয়ানার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ভজনলালের ছেলে। কিছুদিন আগে টিকটক স্টার জনসভা করতে গিয়েছিলেন বালসুমুন্দ গ্রামে। ভাষণের শুরুতে তিনি জনতার উদ্দেশে আহ্বান জানান, ‘আপনারা বলুন ভারত মাতা কি জয়!’ তাতে জনতা সেভাবে সাড়া দেয়নি। তখন প্রার্থী তাঁদের তিরস্কার করে বলেন, আপনারা কি পাকিস্তান থেকে এসেছেন? আপনাদের লজ্জা হওয়া উচিত। আপনারা যদি ভারতীয় হন তাহলে বলুন, ভারত মাতা কি জয়। এর পরেও জনতা সেভাবে সাড়া দেয়নি। তখন টিক টক স্টার বলেন, আমি আপনাদের জন্য লজ্জিত। আপনাদের মতো ভারতীয়রা নিজেদের জাতির নামে জয়ধ্বনি দিতে পারেন না। আপনারা কেবলই ক্ষুদ্র রাজনীতির কথা ভাবেন। শেষে সোনালি ফোগত বলেন, যারা ভারত মাতা কি জয় বলতে পারে না, তাদের ভোটেরও কোনও মূল্য নেই।

কংগ্রেস ইতিমধ্যেই এই ক্লিপিং নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিজেপি-র বিরুদ্ধে তোপ দাগতে শুরু করে দিয়েছে। অনেকের মতে, চাপে পড়ে গিয়ে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশেই ক্ষমা চাইতে বাধ্য হয়েছেন সোনালি। ড্যামেজ কন্ট্রোলের একটা চেষ্টা করা হয়েছে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More