দিল্লি- গুরুগ্রাম সীমান্ত সিল করল হরিয়ানা সরকার, ব্যাপক যানজট, বিক্ষোভ

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজধানী দিল্লির জন্যই পাশের রাজ্য হরিয়ানাতে সংক্রমণ বাড়ছে বলে অভিযোগ হরিয়ানা সরকারের। এই অভিযোগে দিল্লি- গুরুগ্রাম সীমান্ত বন্ধ করে দিল হরিয়ানা। এর জেরে সকাল থেকেই সীমান্তের কাছে বিশাল যানজটের সৃষ্টি হয়। আটকে পড়েন হাজার হাজার মানুষ। পরিস্থিতি সামলাতে হিমশিম খেতে হয় পুলিশকে।

    এদিন সকালে অবশ্য সবাইকে আটকানো হচ্ছিল না। শুধুমাত্র যাঁরা পায়ে হেঁটে, সাইকেলে বা মোটরবাইকে চড়ে দিল্লি থেকে গুরুগ্রামের দিকে আসার চেষ্টা করছিলেন তাঁদের আটকে দেওয়া হচ্ছিল। অথচ চারচাকা গাড়িকে আটকানো হচ্ছিল না। তাঁদেরই কেন আটকানো হচ্ছে এই অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ দেখান সাইকেল আরোহী ও পথচারীরা। ফলে বেশ কিছুক্ষণ বন্ধ হয়ে যায় রাস্তা। অবশেষে পুলিশ এসে সেই বিক্ষোভ তোলে।

    ঘণ্টাখানেক পরে পুরো সীমান্ত সিল করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় হরিয়ানা সরকার। ফলে আটকে পড়ে সব ধরনের যানবাহন। সীমান্তে এক বিশাল যানজটের সৃষ্টি হয়। আগে থেকে কিছু না জানিয়ে এভাবে সীমান্ত বন্ধ করায় হরিয়ানা সরকারের সমালোচনা করেন সবাই। অনেকে বিক্ষোভ দেখানোও শুরু করেন। শুধুমাত্র জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি ও যানবাহনকে ছাড় দেওয়া হচ্ছে।

    বৃহস্পতিবার হরিয়ানার গৃহমন্ত্রী অনিল ভিজ জানিয়েছিলেন, রাজধানীর সঙ্গে সীমান্ত থাকাতেই তাঁদের রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। তিনি বলেন, “দিল্লির জন্যই হরিয়ানায় আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। গত এক সপ্তাহে ফরিদাবাদে ৯৮, সোনিপতে ২৭ ও গুরুগ্রামে ১১১ জন আক্রান্তের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। তাই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক ও হাইকোর্টের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জরুরি পরিষেবার ক্ষেত্রে কাউকে আটকানো হবে না।”

    এর আগেও একবার দিল্লির সঙ্গে সীমান্ত বন্ধ করেছিল হরিয়ানা। তখন এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে হয় দিল্লি হাইকোর্টকে। আদালত নির্দেশ দেয় জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত ডাক্তার, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের যেন যাতায়াতে কোনও বাধা না দেওয়া হয়। সেইমতো এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে হরিয়ানা সরকার। পাস দেখিয়ে জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত সবাই যাতায়াত করতে পারবেন। কিন্তু বাকি কাউকে দিল্লি থেকে হরিয়ানায় ঢুকতে দেওয়া হবে না।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More