চারবার ইনসুলিন নিই, ডাক্তারের নিষেধ উড়িয়ে রাজনীতিতে এসেছি, আমি কিনা সন্ত্রাসবাদী: কেজরিওয়াল

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: দু’দিনে আগেই বিজেপি নেতা প্রবেশ বর্মা দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী তথা আম আদমি পার্টির নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে ‘টেররিস্ট’ বলে আক্রমণ শানিয়েছিলেন। বিষ্যুদবার তারই পাল্টা দিলেন কেজরি। এদিন দক্ষিণ পশ্চিম দিল্লির একটি নির্বাচনী জনসভায় মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমি কী করে সন্ত্রাসবাদী হব? চিরকাল মুমূর্ষু রোগীর মুখে ওষুধ তুলে দিয়েছি, কখনও নিজের জন্য বা পরিবারের জন্য ভাবিনি। আমি দেশের জন্য প্রাণ পর্যন্ত দিতে পারি।”

    পর্যবেক্ষকদের মতে, বিজেপি যে ভাবে মেরুকরণকে তীব্র করতে চাইছে সেখানে অরবিন্দ কেজরিওয়াল নিজের ব্যক্তিগত ত্যাগ-তিতিক্ষার কথাকেই হাতিয়ার করলেন। এদিন তিনি বলেন, “আমি একজন ডায়াবেটিসের রোগী। দিনে চারবার ইনসুলিন নিই। চিকিৎসকরা আমায় বারণ করেছিলেন রাজনীতিতে আসতে। কিন্তু আমি সে সব শুনিনি। তাঁদের কথা অগ্রাহ্য করেই মানুষের জন্য কাজ করতে এসেছি।” সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, “এত কিছু করেও আমি সন্ত্রাসবাদী হয়ে গেলাম!”

    কয়েকদিন আগে বিজেপির ওই নেতা জনসভায় বলেছিলেন, ‘‘ফের কেজরিওয়াল ক্ষমতায় এলে শাহিন বাগের মতো লোকজন রাস্তায় নেমে আসবে। কাশ্মীরি পণ্ডিতদের যেমন কাশ্মীর ছেড়ে চলে আসতে হয়েছিল, তেমন পরিস্থিতি দেখা দেবে। মুসলিম পুরুষরা হিন্দু মেয়েদের তুলে নিয়ে গিয়েছে বলে প্রায়ই শুনি আমরা। অথচ কোনও পদক্ষেপই করা হয় না। কারণ ওর মতো সন্ত্রাসবাদীরা সর্বত্র ঘাপটি মেরে রয়েছে।”

    এই মন্তব্য নিয়ে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছেন কেজরি। দায়ের করেছেন এফআইআরও। এদিন দিল্লির মানুষের উদ্দেশে তিনি বলেন, “এখানকার মানুষই বলুক, আমি সন্ত্রাসবাদী কি না। আসলে বিজেপি হিংসা, বিদ্বেষের বিষ ছড়াতে চাইছে। ওদের বিরুদ্ধে কথা বললেই গায়ে দেশদ্রোহী, সন্ত্রাসবাদী, পাকিস্তানের এজেন্ট এসব ছাপ মেরে দিচ্ছে। এই ভোটে মানুষ তার বিরুদ্ধেই রায় দিক।” আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি দিল্লির ভোটগ্রহণ।

    গতবার ৭০টি আসনের মধ্যে ৬৭টি জিতেছিল আপ। এবার দিল্লি দখলে মরিয়া বিজেপি। ভোটের যত দিন এগোচ্ছে ততই চড়ছে পারদ। ইতিমধ্যেই বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য অনুরাগ ঠাকুরের মতো বিজেপি নেতাকে তারকা বক্তার তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে কমিশন।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More