জঙ্গিদের গতিবিধি হবে মুঠোবন্দি, আকাশে নজরদারিও হবে কড়া, ৫০টি ইউএভি ড্রোন চেয়ে পাঠাল জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ

২৮

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: একদিকে ভারতের আকাশসীমা লঙ্ঘন করে পঞ্জাবের গ্রামে খলিস্তানি জঙ্গিদের কাছে অস্ত্র পাচার করছে পাকিস্তান, অন্যদিকে জম্মু-কাশ্মীরের বায়ুসেনা ঘাঁটিগুলোতে ফিদায়েঁ হামলার জন্য প্রস্তুত হচ্ছে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদ।  উপত্যকার আকাশে এখন কালো মেঘ। নিরাপত্তা সবদিক দিয়েই আঁটোসাঁটো করতে এ বার নজরদারি ড্রোনের জন্য কেন্দ্রের কাছে আর্জি জানাল জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, সীমান্তে অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালাচ্ছে জঙ্গিরা। উপত্যকার আনাচেকানাচেও ঘাঁটি গেড়ে রয়েছে জইশ, লস্করের ফিদায়েঁরা। জঙ্গিদের গতিবিধির উপর কড়া নজর রাখতে ‘আনম্যানড এরিয়াল ভেহিকল’ (ইউএভি) ড্রোন প্রয়োজন। এই ড্রোন সীমান্তে নজরদারি চালাতেও সেনাদের সাহায্য করবে বলে জানানো হয়েছে।

ক্যাটেগরি ৩ পর্যায়ের এই ইউএভি আধুনিক এবং উন্নত মানের। জম্মু পুলিশ জানিয়েছে, যে কোনও উচ্চতায় এই ড্রোন উড়িয়ে জঙ্গিদের কার্যকলাপ নজরবন্দি করা যাবে।  টানা ৩০ ঘণ্টা উড়তে পারে এই ড্রোন। ঘাঁটি থেকে বহুদূরে গিয়েও এই ড্রোন নজরদারি চালাতে সক্ষম। কারণ কয়েক হাজার কিলোমিটার দূরবর্তী এলাকার আকাশে ভাসতে ভাসতেও এই ড্রোন নিজের সদর দফতরে তথ্য ও ছবি পাঠাতে পারে।

জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ জানিয়েছে, জম্মু-কাশ্মীর ও পঞ্জাবের বায়ুসেনা ঘাঁটিগুলোতে আত্মঘাতী হামলার জন্য তৈরি হয়েছে জইশের আট থেকে দশ জন ফিদায়েঁ জঙ্গি। পুলওয়ামা ধাঁচে ফের চালানোর ছক কষা হচ্ছে। জম্মু, অবন্তীপুর, শ্রীনগর, পাঠানকোট ও হিন্দন বায়ুসেনা ঘাঁটিতে চূড়ান্ত সতর্কতা জারি হয়েছে। আধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র ও ইজরায়েলি বোমা নিয়ে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালাচ্ছে অন্তত ৫০০ জইশ জঙ্গি। যে কোনও মুহূর্তেই উপত্যকায় বড়সড় হামলা হতে পারে। বহু দূর পর্যন্ত খুব সহজে নজর রাখতে তাই এই ড্রোন অত্যন্ত কার্যকরী হবে বলে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক মনে করছে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More