৫০ লক্ষ মানুষ বন্যা কবলিত, বিহারের পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ, মৃত ১৩

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: উন্নতির কোনও লক্ষণই নেই। বরং আরও ভয়াবহ আকার নিচ্ছে বিহারের বন্যা পরিস্থিতি। শনিবার রাতের বুলেটিন অনুযায়ী বিহারে বন্যা কবলিত মানুষের সংখ্যা ৫০ লক্ষের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছে। মৃত্যু হয়েছে আরও দু’জনের। ফলে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ১৩।

    এর আগে দ্বারভাঙায় মৃত্যু হয়েছিল সাত জন ও পশ্চিম চম্পারণে চার জনের। শনিবার মুজফফরপুরে আরও দু’জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    গত রবিবার বন্যা কবলিত মোট জেলার সংখ্যা ছিল ১০টি। আজ সেটা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪টি। বিহারের উত্তরাংশে এদিন পর্যন্ত ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত। ফলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক এখনই হবে না বলে মনে করছেন অনেকে।

    এখনও পর্যন্ত ৭৬৮.৫ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে বিহারে। যা স্বাভাবিকের থেকে ৪৬ শতাংশ বেশি। বৃষ্টিতে নদীর জল বেড়েই এই বিপত্তি ঘটেছে বলে জানিয়েছে বিহার সরকার। এখনও বহু নদের জল বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে বলে খবর।

    নেপাল সীমান্তে পশ্চিম চম্পারণ জেলার অবস্থা আরও খারাপ হতে শুরু করেছে। অতি বৃষ্টিতে গণ্ডক নদীর জল বেড়েই প্লাবিত হয়েছে এই জেলার অধিকাংশ জায়গা। নেপাল সরকার না জানিয়ে জল ছেড়েছে বলেও অভিযোগ করেছে বিহারের বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর। শুধুমাত্র পশ্চিম চম্পারণেই মারা গিয়েছেন সাত জন। বুলেটিনে বলা হয়েছে, এই জেলায় বন্যা কবলিত মানুষের সংখ্যা প্রায় সাড়ে চার লক্ষ।

    রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা দলের সঙ্গেই উদ্ধার কাজে নেমেছে এনডিআরএফ। বায়ুসেনার হেলিকপ্টার থেকে শুকনো খাবার, বেবি ফুড ফেলা হচ্ছে বিভিন্ন এলাকায়। একাধিক জেলায় মানুষকে সরিয়ে অন্যত্র রাখার বন্দোবস্ত হয়েছে বলে বিহার সরকারের তরফে প্রকাশিত বুলেটিনে উল্লেখ করা হয়েছে।

    ১১টি জেলায় ১৩৪০টি কমিউনিটি কিচেন খোলা হয়েছে। বিহার প্রশাসন জানিয়েছে, প্রতিদিন ১১ লক্ষ মানুষ এই গণ রন্ধনশালা থেকে দু’বেলা খাবার পাচ্ছেন। তবে ত্রাণ শিবিরগুলিতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা যাচ্ছে না বলেই মত অনেকের। যার ফলে করোনা সংক্রমণের আশঙ্কা আরও বেড়ে গিয়েছে বিহারে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More