দু’মাসের সন্তানকে দেখাই হলো না, পুলওয়ামায় শহিদ রাজস্থানের রোহিতাশ

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: গত ডিসেম্বরেই জন্ম হয়েছিল সন্তানের। কিন্তু সে সময় বাড়িতে থাকা হয়নি রোহিতাশের। তবে কদিনের মধ্যেই ছুটিতে বাড়ি ফেরার কথা ছিল তাঁর। প্রথমবার নিজের একরত্তি সন্তানকে দেখবেন বলে উৎসাহ, উন্মাদনাও ছিল তুঙ্গে। কিন্তু সন্তানকে আর দেখা হলো না। বৃহস্পতিবার পুলওয়ামার আত্মঘাতী জঙ্গি হানায় চোখের পলকেই শেষ হয়ে গেলেন রাজস্থানের বাসিন্দা সিআরপিএফ জওয়ান রোহিতাশ লাম্বা।

এ দিনের ভয়াবহ আত্মঘাতী জঙ্গি হানায় শহিদ হয়েছে প্রায় ৪০ জনেরও বেশি সিআরপিএফ জওয়ান। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন দুই বঙ্গ সন্তানও। বাউড়িয়ার বাসিন্দা বাবলু সাঁতরা এবং নদিয়ার বাসিন্দা সুদীপ বিশ্বাস। সেনাবাহিনী সূত্রে খবর, এ দিনের হামলায় রাজস্থানের অন্তত ৫ জন জওয়ান শহিদ হয়েছেন। এই শহিদদের মধ্যেই ছিলেন রোহিতাশ লাম্বা।

সাতাশ বছরের এই জওয়ান সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েছিলেন বছর দুয়েক আগে। জয়পুরের শাহপুরের এই জওয়ান বিয়ে করেছিলেন বছর খানেক আগে। তারপরেই গত ডিসেম্বরে প্রথম সন্তানের বাবা হয়েছিলেন রোহিতাশ। কিন্তু পুলওয়ামার জঙ্গি হামলা আচমকাই কেড়ে নিল রোহিতাশের প্রাণ। ছেলের এ হেন মৃত্যুতে ভেঙে পড়েছেন রোহিতাশের পরিবার।

তবে কেবল রোহিতাশ লাম্বা নন, শহিদ হয়েছেন রাজস্থানের আরও চার জওয়ান। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন, ভাগীরথ সিং, নারায়ণ লাল গুরজর, জিতরাম গুরজর এবং হেমরাজ মীনা।  প্রায় ৬ বছর ধরে সিআরপিএফ-এর জওয়ান ছিলেন ভাগীরথ সিং। আর ব্যাটেলিয়নে হেমরাজ মীনা ছিলেন ১৮ বছর ধরে। কারও চাকরির সবে শুরু। কারও এসে গিয়েছিল অবসর নেওয়ার সময়। অনেক জওয়ান সামনেই ছুটিতে বাড়ি আসার কথা জানিয়ে দিয়েছিলেন পরিবারের সদস্যদের। কিন্তু বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে তিনটের বিস্ফোরণে মুহূর্তেই শেষ হয়ে গিয়েছে সব।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More