চার মেয়েকে বছরের পর বছর যৌন নির্যাতন, বাবাকে গ্রেফতার করল পুলিশ

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ফুটফুটে চার মেয়ে। বয়স ১০ বছর থেকে ১৭ বছর। স্কুলে সবসময় সিঁটিয়ে থাকত কিশোরীরা। পড়াশোনায় মন নেই, কেউ কাছে গেলেই আঁতকে ওঠে। সন্দেহ হয়েছিল শিক্ষিকার। বাচ্চাদের জিজ্ঞাসা করেও লাভ হয়নি। দীর্ঘদিনের কোনও এক অজানা আতঙ্কে মুখে কুলুপ এঁটেছিল তারা। শেষে শিশু সুরক্ষা দফতরের সঙ্গে কথা বলে লাগাতার কাউন্সেলিং করা হয় কিশোরীদের। সেখানেই বেরিয়ে আসে আতঙ্কের আসল কারণ। যার বিবরণ শুনে চমকে ওঠেন শিক্ষিকাও।

লজ্জা ও ঘৃণার সব সীমাই পার করেছে কেরলের এই ঘটনা। ওই চার কিশোরী জানিয়েছে, বাড়িতেই তারা লাগাতার যৌন নিপীড়নের শিকার। আর এই কাণ্ড ঘটান তাদের বাবা। কিশোরীদের বয়ানের ভিত্তিতে উত্তর কেরলের ভালানচেরির বাসিন্দা ৪৭ বছরের ওই ব্যক্তিকে শনিবার গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

মানচেরির শিশু সুরক্ষা দফতরের এক আধিকারিকের কথায়, ওই পরিবারের আর্থিক অবস্থা ভাল নয়। ধৃত ব্যক্তির রোজগার সামান্য। চার মেয়ে পড়াশোনা করত সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত একটি বোর্ডিং স্কুলে। সেখানেই থাকত তারা। ছুটির সময় বাড়ি ফিরলেই বাবার ঘৃণ্য আচরণের মুখোমুখি হতে হত। লজ্জায় পরিবারের কাউকে কোনও কথাই জানাতে পারেনি তারা। ধীরে ধীরে চলে যাচ্ছিল মানসিক অবসাদে।

আরও পড়ুন: গণধর্ষণের পরে অ্যাসিডে ঝলসানো হল শরীর, তরুণীর নগ্ন দেহ ফেলে গেল জঙ্গলের ধারে

বোর্ডিং স্কুলের এক শিক্ষিকাই চার কিশোরীর এই মানসিক পরিবর্তন আন্দাজ করতে পেরেছিলেন। দীর্ঘদিন কাউন্সেলিংএর পরে তারা সব কথাই খুলে বলে শিক্ষিকাকে। স্কুলের প্রিন্সিপালের সঙ্গে কথা বলে তিনি তড়িঘড়ি বিষয়টা জানান শিশু সুরক্ষা দফতরে। খবর দেওয়া হয় পুলিশে।

পকসো আইনের নানা ধারায় মামলা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। জেরায় অপরাধ স্বীকার করেছেন ধৃত ব্যক্তি।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More