‘অনুপ্রবেশকারী’ সেই প্রাক্তন সেনা ছাড়া পেলেন অসমের ক্যাম্প থেকে

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: মহম্মদ সানাউল্লা। ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রাক্তন এই সৈনিককে বেআইনি অনুওরবেশকারী বলেছিল ট্রাইবুনাল। গতমাসে তাঁকে পাঠানো হয়েছিল ডিটেনশন ক্যাম্পে। অবশেষে গুয়াহাটি হাইকোর্টের নির্দেশে জামিন পেলেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর এই অবসরপ্রাপ্ত জওয়ান। ছাড়া পেলেন ক্যাম্প থেকে। শুক্রবার এই নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। কাগজপত্রের কাজ মিটতে গতকাল বিকেল পাঁচটা বেজে যায়। তাই শনিবার তাঁকে জামিনে ছাড়া হয়।

    আদালতের এই নির্দেশের প্রতিলিপি পাঠিয়ে দেওয়ায় হয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন, জাতীয় নাগরিক পঞ্জিকরণ (এনআরসি) আধিকারিকদের কাছে। প্রতিলিপি গিয়েছে অসম বর্ডার পুলিশের তদন্তকারী অফিসার চন্দ্রমল দাসের কাছেও।

    সেনাবাহিনীতে ৩০ বছর কাজ করার পর সানাউল্লা যোগ দেন অসম বর্ডার পুলিশে। গত ২৯ মে তাঁকে গ্রেফতার করে ডিটেনশন ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়। ৫৩ বছরের অবসরপ্রাপ্ত এই সেনার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি এ দেশের নাগরিকই নন। বেআইনি অনুপ্রবেশকারী।

    চলতি সপ্তাহের শুরুতে তিনজন এই গ্রেফতারের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। মূল অভিযোগ তোলা হয় অসম বর্ডার পুলিশের আধিকারিক চন্দ্রমল দাসের বিরুদ্ধে। রুজু হয় মামলা।

    ২০০৮-০৯ সালে যখন মণিপুরে বিচ্ছিন্নতাবাদী শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই চলছে ভারতীয় নিরাপত্তাবাহিনীর, সানাউল্লা সেই সময়ে সেখানেই পোস্টিং ছিলেন। তেমনই বলছে তাঁর সার্ভিস বুক। অসমে এনআরসি নিয়ে গত বছরের শেষ থেকেই অশান্তি চলছে। বিরধী দলগুলির অভিযোগ, অনুপ্রবেশকারী খেঁদাতে গিয়ে বিজেপি এতটাই আগ্রাসী হয়ে উঠেছে যে, সত্যিকারের নাগরিকের উপরেও কোপ পড়ছে।

    সানাউল্লাকে বেশ কয়েকটি শর্তের ভিত্তিতে জামিন দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে শুনানিতে গুয়াহাটি হাইকোর্টের অবকাশকালীন বেঞ্চ এ-ও বলেছে, যেখানে মানবাধিকারের মতো স্পর্শকাতর বিষয় জড়িয়ে রয়েছে, সেখানে প্রশাসনের আরও যত্নশীল হওয়া উচিত।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More