বৃহস্পতিবার, মার্চ ২১

#Breaking: লোকসভা ভোট সাত দফায়, শুরু ১১ এপ্রিল, ফল ঘোষণা ২৩ মে

দ্য ওয়াল ব্যুরো: অপেক্ষার অবসান। লোকসভা ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করে দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। রবিবার বিকেলে নয়াদিল্লির বিজ্ঞান ভবনে সাংবাদিক সম্মেলন করে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনীল অরোরা জানান, এ বার সারা দেশে লোকসভা ভোট হবে  সাত দফায়। ভোট শুরু হবে ১১ এপ্রিল। শেষ দফার ভোট ১৯ মে। ভোট গণনা হবে ২৩ মে।

লোকসভার সঙ্গে চারটি রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনও অনুষ্ঠিত হবে। ওড়িশা, অন্ধ্রপ্রদেশ, অরুণাচলপ্রদেশ এবং সিকিমের হবে বিধানসভা ভোট। কিন্তু এখন বিধানসভা ভোট হবে না জম্মু ও কাশ্মীরে। ১৯৯৬-এর পর এই প্রথম সময়ে ভোট হচ্ছে না উপত্যকায়।

প্রথম দফায় ২০টি রাজ্যের ৯১টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে ১১ এপ্রিল। দ্বিতীয় দফার ভোট গ্রহণ হবে ১৮ এপ্রিল। ওই দিন ১৩টি রাজ্যের ৯৭টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে। তৃতীয় দফার ভোট গ্রহণ হবে ২৩ এপ্রিল। কমিশন জানিয়েছে, তৃতীয় দফায় ১৪টি রাজ্যের ১১৫টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হবে। চতুর্থদফার ভোট হবে ২৯ এপ্রিল। সুনীল অরোরা জানিয়েছেন, ২৯ তারিখ ভোট হবে ৯টি রাজ্যের ৭১টি আসনে। পঞ্চম দফার ভোট গ্রহণ হবে ৬ মে। ওই দিন ভোটগ্রহণ হবে ৭টি রাজ্যের ৫১টি আসনে। ষষ্ঠ দফার ভোটগ্রহণের দিন ১২ মে। ওই দিন ভোট গ্রহণ হবে ৭টি রাজ্যের ৫৯টি আসনে। শেষ দফার ভোট ১৯ মে। ওই দিন ভোটগ্রহণ হবে ৮টি রাজ্যের ৫৯টি আসনে।

গোটা দেশেই কড়া নিরাপত্তায় ভোটগ্রহণ করতে বদ্ধপরিকর কমিশন। আবহাওয়া এবং ধর্মীয় উৎসবের কথা মাথায় রেখেই নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রস্তুত করা হয়েছে বলে জানান মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। জাতীয় নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, এ বার দেশের মোট ভোটার ৯০ কোটি। তার মধ্যে দেড় কোটি নতুন ভোটার। গতবারের থেকে এ বার ৮কোটি ৪৩ লক্ষ ভোটার বেশি।

প্রতিটি বুথে ভিই প্যাটের ব্যবস্থা রাখা হবে বলে জানিয়েছে কমিশন। সুনীল অরোরা এ দিন সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, এ বারই প্রথম ইভিএম-এ প্রতিটি প্রার্থীর নামের পাশে তাঁদের ছবি থাকবে। চোদ্দর ভোটে সারা দেশে ৯ লক্ষ পোলিং স্টেশন ছিল। এ বার তা ১০ লক্ষ হবে বলে জানিয়েছে কমিশন।

নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই এ দিন থেকেই সারা দেশে আদর্শ নির্বাচন বিধি চালু হয়ে গেল। কমিশন জানিয়েছে প্রতিটি বুথেই মোতায়েন থাকবে কেন্দ্রীয়বাহিনী। স্পর্শকাতর বুথগুলিতে চালানো হবে ওয়েব কাস্টিং। সুনীল অরোরা জানিয়েছেন, একটি অ্যানড্রয়েড অ্যাপ আনা হবে কমিশনের তরফে। যাতে যে কোনও নাগরিক যে কোনও হিংসা নিয়ে সেখানে অভিযোগ জানাতে পারেন। তাঁদের নিরাপত্তার জন্যও  কমিশন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। একটি হেল্পলাইন নম্বরও জানানো হয়েছে কমিশনের তরফে। সেটি হলো ১৯৫০।

সোশ্যাল মিডিয়ায় গুজব বা ভুয়োখবর ছড়ালে কড়া ব্যবস্থা হবে বলে সপষ্ট জানিয়েছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। সেই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, রাজনৈতিক দলগুলি সোশ্যাল মিডিয়ার প্রচারে কতটাকা খরচ করছে তা জানাতে হবে কমিশনকে।

আরও পড়ুন 

#Breaking: সাত দফায় নির্বাচন বাংলায়, সবাই ভোট দিতে পারবেন, জানাল জাতীয় নির্বাচন কমিশন

Shares

Comments are closed.