ভোটার তালিকায় কারচুপি রুখতে নির্বাচন কমিশনের মেগা ড্রাইভ কাল থেকে

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো : ভোটের আগে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার তালিকা তৈরি করার দিন শেষ। এ বার অনলাইন বা অফলাইনে সেই তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তি বা পরিবর্তনের সুযোগ থাকবে ভোটারদের হাতেই। আগামীকাল থেকেই নির্বাচন কমিশনের এই ‘ইলেক্টরস ভেরিফিকেশন প্রোগ্রাম’ বা ইভিপি শুরু হচ্ছে। ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে এই ইভিপি।

    নির্বাচন কমিশনের তরফে শনিবার এ কথা ঘোষণা করা হয়েছে। জানানো হয়েছে, প্রতিটি পরিবার থেকে কোনও একজন ব্যক্তি অনলাইন বা অফলাইনে এই কাজ করতে পারবেন। তাঁকে একটি ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ড দেওয়া হবে। এই ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ডের মাধ্যমে তিনি পুরো পরিবারের নাম ও বাকি তথ্য অন্তর্ভুক্ত করতে পারবেন।

    অবশ্য এই ইভিপি অনলাইন ও অফলাইন দুটি পদ্ধতিতেই করা যাবে বলে জানানো হয়েছে। অনলাইনের ক্ষেত্রে এনভিএসপি ওয়েবসাইটে গিয়ে কিংবা মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে কেউ তথ্য অন্তর্ভুক্ত করতে পারবেন। যদি কেউ অফলাইনে তথ্য অন্তর্ভুক্ত করতে চান, তার জন্য দেশজুড়ে কমন সার্ভিস সেন্টার খোলা হবে। সেখানে গিয়ে খুব কম খরচে এই তথ্য অন্তর্ভুক্ত করা যাবে। জানানো হয়েছে, পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স, আধার কার্ড, রেশন কার্ড, ভোটার কার্ড, ব্যাঙ্ক পাসবুক, কৃষকের পরিচয়পত্র, প্যান কার্ড কিংবা ফোন/বিদ্যুৎ/জল/গ্যাসের বিলের মধ্যে যে কোনও একটি ডকুমেন্ট থাকলেই তথ্য অন্তর্ভুক্ত করা যাবে বলে জানানো হয়েছে নির্বাচন কমিশনের তরফে।

    দিল্লির মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রণবীর সিং শনিবার জানিয়েছেন, “যে তথ্য অন্তর্ভুক্ত হবে, তা ব্লক লেবেল অফিসাররা ভেরিফাই করে দেখবেন। এতে অনেক কম সময় লাগবে। তা ছাড়াও জনগণ অনেক বেশি ভোটিং প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবেন। যদি ভোটার তালিকায় কোনও তথ্য ভুল থাকে তাহলে তা সংশোধনও করতে পারবেন তাঁরা।”

    জানানো হয়েছে, এই পুরো প্রক্রিয়া ৩৬ জন মুখ্য নির্বাচন কমিহসনার ও ৭৪০ জন ডিস্ট্রিক্ট লেবেল অফিসাররা মিলে করবেন। ডিস্ট্রিক্ট লেবেল অফিসারদের সাহায্য করবেন ব্লক লেবেল অফিসাররা। দিল্লিতেই ১৪ হাজার সেন্টার থেকে এই প্রোগ্রাম চালানো হবে বলে জানানো হয়েছে।

    নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, পুরো প্রক্রিয়া শেষ হয়ে যাওয়ার পর একটি ড্রাফট তালিকা প্রকাশ করা হবে। তাতে কোনও ভুল থাকলে তা সংশোধনের সময় পয়লা জানুয়ারি ২০২০ পর্যন্ত। জানুয়ারির দ্বিতীয় বা তৃতীয় সপ্তাহে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে।

    নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, এই পদ্ধতিতে ভোটার তালিকা তৈরি হলে তাতে কারচুপি হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কম হবে। কারণ, মানুষ নিজেরাই তাঁদের তথ্য দেবেন। কিছু ভুল থাকলে ঠিক করে দেবেন। পুরো প্রক্রিয়া সরাসরি নির্বাচন কমিশনের দেখভালে হবে। ফলে কারচুপি হবে না বলেই দাবি নির্বাচন কমিশনের।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More