ভারতকে ভালবাসি, আমেরিকার স্বাধীনতা দিবসে মোদীর শুভেচ্ছার জবাবে ট্রাম্প

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: শনিবার, ৪ জুলাই আমেরিকার স্বাধীনতা দিবসে টুইট করে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তার জবাবে টুইট করে ধন্যবাদ জানালেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেইসঙ্গে তিনি বললেন, ভারতকে আমেরিকা ভালবাসে।

    শনিবার প্রধানমন্ত্রী মোদী টুইট করে বলেন, “আমি ডোনাল্ড ট্রাম্প ও আমেরিকার সব জনগণকে তাঁদের ২৪৪ তম স্বাধীনতা দিবসের জন্য ধন্যবাদ জানাই। বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের দেশ হওয়ার সুবাদে এই স্বাধীনতা দিবসের মাহাত্ম্য আমরা খুব ভালভাবেই জানি।”

    মোদীর এই টুইটের জবাবে ট্রাম্প বলেন, “ধন্যবাদ বন্ধু। আমেরিকা ভারতকে ভালবাসে।” শুধুমাত্র এই টুইট করা নয়, করোনার মধ্যেও দক্ষিণ ডাকোটায় স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দেন ট্রাম্প।

    ডোনাল্ড ট্রাম্প ও নরেন্দ্র মোদীর মধ্যে সম্পর্কের কথা অবশ্য কারও অজানা নয়। এর আগে কোনও মার্কিন রাষ্ট্রপতির সঙ্গে কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর এতটা ভাল সম্পর্ক ছিল কিনা তা নিয়ে সন্দেহের অবকাশ রয়েছে। আমেরিকায় গিয়ে প্রবাসী ভারতীয়দের সামনে যেমন মোদীর জন্য ‘হাউডি মোদী’ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন, তেমনই ভারত সফরে এসে আহমেদাবাদের মোতেরা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়েছিল ‘নমস্তে ট্রাম্প’ অনুষ্ঠান। পাকিস্তান বা চিন, কোনও পড়শি দেশের সঙ্গে ভারতের সীমান্ত সমস্যা হলেই তা মেটানোর জন্য আগ বাড়িয়ে প্রস্তাবও দিয়েছে ট্রাম্প। সেই সৌজন্য বোধ ফের একবার দেখা গেল।

    তবে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক যতটাই ভাল হচ্ছে, চিনের সঙ্গে ট্রাম্পের সম্পর্ক ততটাই খারাপ হচ্ছে। করোনাভাইরাস ছড়ানোর জন্য বারবার চিনকে দুষছেন তিনি। সম্প্রতি ফের ট্রাম্পের মুখে সেই কথা শোনা গিয়েছে।

    বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসের গ্র্যান্ড ফোয়েরে ‘স্পিরিট অফ আমেরিকা শোকেস’ নামের একটি অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, “এই অতিমারী চিন থেকেই ছড়িয়েছে। এটা হওয়া উচিত ছিল না। কিন্তু ওরা এটা ছড়িয়েছে। আমরা ওদের সঙ্গে একটা নতুন বাণিজ্যিক চুক্তি করেছিলাম। সেই চুক্তির কালি শোকানোর আগেই এই ভাইরাস আমাদের দেশে ধাক্কা দেয়।”

    বিশ্বের মধ্যে করোনাভাইরাসের সবথেকে খারাপ প্রভাব পড়েছে আমেরিকায়। ইতিমধ্যেই এই দেশে আক্রান্তের সংখ্যা ২৯ লাখ পেরিয়ে গিয়েছে। মৃত্যু হয়েছে ১ লাখ ৩২ হাজারের বেশি। এই অবস্থার জন্য দেশে সমালোচনার মুখে পড়েছেন ট্রাম্প। সামনে নির্বাচন। এই নির্বাচনে করোনা পরিস্থিতি সামলাতে ট্রাম্প প্রশাসনের ব্যর্থতা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে বলেই মনে করছেন সবাই। যদিও ট্রাম্প নিজের ছন্দেই রয়েছেন। পুরো ঘটনার জন্য বারবার চিনকে দায়ী করছেন তিনি।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More