‘কর্মীদের মাইনে দিতে পারব না!’ কেন্দ্রের কাছে পাঁচ হাজার কোটি টাকা চাইল কেজরিওয়াল সরকার

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: লকডাউনের ফলে রাজস্ব আদায় তলানিতে ঠেকায় এপ্রিলের শেষ সপ্তাহেই নিজের উদ্বেগের কথা জানিয়েছিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। জুন মাস পড়ার আগেই কেন্দ্রীয় সরকারের শরণাপন্ন হল আম আদমি পার্টির সরকার। পাঁচ হাজার কোটি টাকা চাওয়া হল কেন্দ্রের কাছে। কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে সাহায্য চাওয়ার কথা নিজেই জানিয়েছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী।

    টুইট করে কেজরিওয়াল লেখেন, “আমি কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে অনুরোধ করছি, এই সংকটের সময়ে দিল্লির মানুষের পাশে দাঁড়াতে।”

    দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী তথা অর্থমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া বলেছেন, তিনি কেন্দ্রের কাছে পাঁচ হাজার কোটি টাকা চেয়েছেন। তাঁর কথায়, অন্যান্য রাজ্যগুলি বিপর্যয় মোকাবিলা খাতে টাকা পেয়েছে। দিল্লি তা পায়নি। তাই দিল্লি সরকারকে এই টাকা দিক কেন্দ্র। নাহলে কর্মীদের মাইনে দেওয়ার বিষয়টি অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে যাবে। সিসোদিয়া আরও বলেন, প্রতিমাসে কর্মীদের মাইনে দিতে দিল্লি সরকারের সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন। তা ছাড়া অন্যান্য কিছু খরচও রয়েছে। সেই খাতে দেড় হাজার কোটি টাকা চাওয়া হয়েছে।

    ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মণীশ সিসোদিয়া বলেন, “গত দু’মাসে (পড়ুন মার্চ ও এপ্রিল) জিএসটি থেকে আমাদের আয় হয়েছে ৫০০ কোটি টাকা। তার বদলে মাইনে দিতে হয়েছে সাত হাজার কোটি টাকা।” তিনি আরও বলেন, “এই কর্মীদের মধ্যে অনেকে আবার ফ্রন্ট লাইন ওয়ার্কার রয়েছেন। অর্থাৎ করোনা মহামারীর এই সময়ে যাঁরা সামনের সারিতে দাঁড়িয়ে কাজ করছেন।”

    লকডাউন তুলে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড শুরু করার পক্ষে আগেই সওয়াল করেছিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী। বলেছিলেন, করোনা নিয়েই আমাদের বাঁচতে হবে। গতকাল, শনিবারও একই কথা বলেছিলেন কেজরিওয়াল। করোনা সংক্রমণ নিয়ে তিনি বলেন, “ব্যাপারটা উদ্বেগের। কিন্তু ভয়ের কিছু নেই। আমি নিশ্চিতভাবেই বলতে পারি, সরকার করোনার চেয়ে চার ধাপ এগিয়ে রয়ে।” পরে তিনি বলেন, সারা দেশে স্থায়ীভাবে লকডাউন চলতে পারে না। তাঁর কথায়, “দিল্লিতে কোভিড ১৯ সংক্রমণের সংখ্যা বেড়েছে। আমরা সেকথা স্বীকার করছি। কিন্তু ভয়ের কিছু নেই। আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত আছি। দেশ জুড়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য লকডাউন চলতে পারে না।”

    তবে কেন্দ্র এ ব্যাপারে রবিবার বিকেল পর্যন্ত কিছুই জানায়নি দিল্লি সরকারকে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More