নাশকতার ছক দিল্লি-বিহার এবং জম্মু-কাশ্মীরে, জারি চূড়ান্ত সতর্কতা, সীমান্তে বেড়েছে নজরদারি

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সীমান্ত এলাকা দিয়ে যে পাকিস্তান জঙ্গি অনুপ্রবেশ করানোর চেষ্টা চালাচ্ছে সেই অভিযোগ আগেই করেছিলেন উপত্যকার পুলিশ প্রধান। জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের ডিজিপি দিল্বাগ সিং জানিয়েছিলেন গোয়েন্দা রিপোর্ট অনুসারে তাঁরা জানতে পেরেছেন যে সীমান্ত বরাবর ভারতের মাটিতে ঢোকার চেষ্টা করছে হিজবুল মুজাহিদিন, জইশ-ই-মহম্মদ, লস্কর-ই-তৈবার জঙ্গিরা। আর এ ব্যাপারে তাদের সাহায্য করছে ইসলামাবাদ। জঙ্গিদের মূল নিশানায় রয়েছে নিরাপত্তাবাহিনী।

এই ঘটনার রেশ কাটার আগেই এ বার ফের নিরাপত্তাবাহিনীর হাতে এসেছে চমকে যাওয়া মতো রিপোর্ট। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, দিল্লি, বিহার এবং জম্মু-কাশ্মীরে নাশকতার ছক কষছে পাক মদতপুষ্ট বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠন। মূলত তালিবান এবং জইশ-ই-মহম্মদের জঙ্গিদের দিয়ে এই হামলা করাতে চাইছে পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই। তাদের মূল নিশানা রাজধানী দিল্লি এবং বিখ্যাত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা। সূত্রের খবর, জম্মু-কাশ্মীরে নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর অন্তত ২০ জন জঙ্গি ইতিমধ্যেই ভারতীয় ভূ-খণ্ডে প্রবেশ করেছে। পাশাপাশি ইন্দো-নেপাল বর্ডার এলাকা দিয়ে বিহারে ঢোকার চেষ্টা করছে জঙ্গিরা।

গত ২২ জুন এমনই একটি রিপোর্ট এসেছিল গোয়েন্দা সূত্র মারফৎ। নিরাপত্তাবাহিনী এমন সতর্কবার্তা পাওয়ার পরেই তৎপর হয়েছে। সীমান্ত এলাকায় বাড়ানো হয়েছিল পেট্রলিং। কড়া নজরদারিতে সব সীমান্ত এলাকাতেই চলছে টহলদারি। যে কোনওরকম পরিস্থিতির মোকাবিলার জন্য ভারতীয় জওয়ানরা যে তৈরি সে কথা স্পষ্ট ভাবে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, এ বছর বারবার উত্তপ্ত হয়েছে উপত্যকা। গত ৬ মাসে জঙ্গি কার্যকলাপ দমনে তৎপর হয়ে উঠেছিল সেনাবাহিনী। জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তায় একের পর এক অ্যান্টি টেরর এনকাউন্টারে সাফল্য লাভ করেছেন জওয়ানরা। শহিদও হয়েছেন বেশ কয়েকজন। তবে হিজবুল, জইশ, লস্কর এমনকি উপত্যকায় আইএস-এর শাখার জঙ্গিদেরও খতম করেছেন নিরাপত্তারক্ষীরা।

এ বছর একাধিক বার সীমান্ত বরাবর যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করেছেন পাকিস্তান সেনাবাহিনী। পাক সেনার গোলা-বারুদ বর্ষণে শহিদ হয়েছন সীমান্তে দায়িত্ব থাকা জওয়ানরা। সাধারণ নাগরিকেরও মৃত্যু হয়েছে। তবে পাল্টা এবং জযগ্য জবাব দিয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনীও। জম্মু-কাশ্মীরে বিশেষ করে দক্ষিণ কাশ্মীরে লুকিয়ে থাকা জঙ্গি ঘাঁটি খুঁজে বের করে কুখ্যাত উগ্রপন্থীদের নিকেশ করেছেন জওয়ানরা।

অন্যদিকে এক মাসের ব্যবধানে সীমান্তবর্তী এলাকা এবং আন্তর্জাতিক সীমান বরাবর দুটি অদ্ভুত জিনিস উদ্ধার হয়েছে। প্রথমটি একটি পায়রা। তার পায়ে বাঁধা রয়েছে আংটা। আর তাতে সাংকেতিক ভাষায় কিছু তথ্য লেখা রয়েছে। অন্যটি একটি ড্রোন। তবে তার মধ্যে আবার ছিল অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে তৈরি অস্ত্রশস্ত্র। দুই ক্ষেত্রেই নিরাপত্তাবাহিনী অনুমান করেছে যে পাকিস্তান থেকেই এগুলো পাঠানো হয়েছে। পায়রার পায়ের সাংকেতিক চিহ্ন নিয়ে গবেষণা চলছে। অনুমান ভারতের সেনা ছাউনিগুলোয় নজর রাখার জন্য পাকিস্তান থেকে ট্রেনিং দিয়ে এই পায়রাটিকে পাঠানো হয়েছিল। আর ড্রোনে করে উপত্যকায় জঙ্গিদের অস্ত্র পাঠানো হয়েছিল। জনৈক আলি ভাইয়ের নামে পাঠানো হয়েছিল ওই আমেরিকান রাইফেল এবং অন্যান্য অস্ত্রশস্ত্র।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More