শ্রীনগরে ফের জারি ১৪৪ ধারা, বাড়ি থেকে কাউকে বেরোতে মানা পুলিশের

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো : গতকাল কাশ্মীরের পুলিশ প্রধান দিলবাগ সিং জানিয়েছিলেন, উপত্যকা শান্ত, গত ছ’দিনে একটাও গুলি চলেনি। অথচ রবিবার ফের ১৪৪ ধারা জারি করা হলো শ্রীনগরে। গাড়িতে করে এ কথা ঘোষণা করে সেনা ও পুলিশ। সাধারণ মানুষকে জরুরি জিনিস কিনে বাড়ি ঢুকে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে খবর। দোকানদারদেরও বলা হয়েছে, দোকান বন্ধ করে বাড়ি চলে যেতে।

    সূত্রের খবর, শ্রীনগরে মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল নিরাপত্তারক্ষী। তাঁরা রাস্তায় টহল দিচ্ছেন। গোটা শহর কার্যত স্তব্ধ হয়ে যাচ্ছে। কী কারণে এই ১৪৪ ধারা জারি করা হলো, সে ব্যাপারে সেনা বা পুলিশের তরফে কিছু জানানো হয়নি।

    অথচ সোমবার ইদের আগে টেলিফোন, মোবাইল, ইন্টারনেট-সহ যোগাযোগ মাধ্যমের উপর থেকে সাময়িক ভাবে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছিল কেন্দ্র। খুলেছিল স্কুল-কলেজ। জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের প্রধান দিলবাগ সিং জানিয়েছিলেন, “গত ক’দিনে বড় কোনও হিংসার ঘটনা ঘটেনি। এমনকী পরিস্থিতি স্বাভাবিক দক্ষিণ কাশ্মীরেও। সোমবার ইদের আগে রাজ্যের আরও কিছু জায়গায় নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হবে।” জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের তরফেও টুইট করে জানানো হয়, “রাজ্য এখন হিংসা মুক্ত। অযথা গুজব বা উস্কানিমূলক কথাবার্তায় কান দেবেন না। ” তাহলে ফের হঠাৎ করে কেন শ্রীনগরে ১৪৪ ধারা জারি হলো, সেটাই ভেবে পাচ্ছেন না সাধারণ মানুষ।

    গত কাল কংগ্রেসের ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক চলাকালীন রাহুল গান্ধী এসে সংবাদমাধ্যমের সামনে বলেন, কাশ্মীরের পরিস্থিতি খারাপ হচ্ছে। বেশ কিছু জায়গা থেকে অশান্তির খবর পাওয়া যাচ্ছে। এ ব্যাপারে সব কিছু সাধারণ মানুষকে জানানোর জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে অনুরোধও করেন রাহুল। কিন্তু রাহুলের এই বক্তব্যের পর সে কথা উড়িয়ে দেন দিলবাগ সিং।

    এর আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের মুখপাত্র বলেছিলেন, একটি সংবাদ মাধ্যমে বলা হয়েছে, ১০ হাজার মানুষ নাকি পথে নেমে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। সংবাদ সংস্থা রয়টার্সে এই খবর প্রকাশিত হয়েছিল। দাবি করা হয়েছিল পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমগুলিতেও।  এটা সম্পূর্ণই মনগড়া। শ্রীনগর ও বারামুলায় বিক্ষিপ্ত কয়েকটি বিক্ষোভ হয়েছে বটে কিন্তু কোথাও ২০ জনের বেশি তাতে অংশ নেয়নি।

    কাশ্মীরের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যেই পথে নেমেছেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল। গত মঙ্গলবারই কাশ্মীরে চলে যান তিনি। তারপর থেকে দেখা গিয়েছে কখনও তিনি রাজ্যপালের সঙ্গে কখনও বিএসএফ বা সিআরপিএফ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। কখনও আবার সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশে গিয়ে তাঁদের আস্থা অর্জনের চেষ্টা করছেন। শনিবারও তাঁকে দেখা গেছে, অনন্তনাগে ঘুরে ঘুরে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলতে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More