লকডাউনের ফলে সমস্যায় ‘প্রোটেকটিভ গিয়ার’ সরবরাহ, দেরি হচ্ছে অন্তত একমাস  

চাহিদা মেটাতে ২০ লাখ কভারঅল, ২০ লাখ প্রোটেকটিভ চশমা, ৫০ লাখ এন৯৫ মাস্ক, ৪ কোটি ট্রিপল লেয়ার সার্জিক্যাল মাস্ক, ৪০ লাখ গ্লাভস ও ১০ লাখ বোতল হ্যান্ড স্যানিটাইজার দরকার। কী ভাবে তার জোগান হবে সেটাই ভাবছে কেন্দ্র।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনা মোকাবিলায় দেশজুড়ে ২১ দিন লকডাউন ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই লকডাউনের ফলে চিকিৎসার সঙ্গে যুক্ত ডাক্তার-নার্সদের প্রোটেকটিভ গিয়ারের সরবরাহ অন্তত এক মাস পিছিয়ে যেতে পারে বলে খবর। এমন কথা স্বীকারও করে নেওয়া এক সরকারি এজেন্সির তরফে।

    ২৮ মার্চ কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের অধীনস্থ একটি সরকারি সংস্থা এইচএলএল লাইফকেয়ার একথা মেল করে জানায় দক্ষিণ-পশ্চিম রেলের চিফ মেডিক্যাল ডিরেক্টরকে। এই সংস্থা কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারগুলিকে সেফটি গিয়ার সরবরাহ করে থাকে। সম্প্রতি দক্ষিণ-পশ্চিম রেলের তরফে এই সংস্থাকে ১৩ হাজার সেফটি গিয়ারের বরাত দেওয়া হয়। তারই জবাবে একথা জানায় এইচএলএল লাইফকেয়ার।

    ওই সরকারি সংস্থা মেল করে জানায়, ২৫ থেকে ৩০ দিনের আগে তাদের পক্ষে এই সেফটি গিয়ার রফতানি করা সম্ভব নয়। কারণ এই মুহূর্তে বাজারে এই গিয়ারের জোগানে খামতি রয়েছে। সেইসঙ্গে চাহিদাও সাংঘাতিক। প্রতিটি রাজ্য থেকে বিশাল চাহিদা আসছে। সেই কারণে নির্দিষ্ট সময়ে তা ডেলিভারি করা যাচ্ছে না। অন্তত একমাস সময় লাগছে।

    এরমধ্যেই সোমবার স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফে একটি বিবৃতি জারি করে এই প্রোটেকটিভ গিয়ারের বর্তমান অবস্থার সম্পর্কে জানানো হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, এখনও পর্যন্ত কেন্দ্র ৬০ হাজার কভারঅল সংগ্রহ করেছে। প্রায় ৬০ লাখ পিপিই কিট অর্ডার করা হয়েছে। এর মধ্যে অর্ধেক দেশেই তৈরি করা হবে। বাকিটা সিঙ্গাপুর ও দক্ষিণ কোরিয়া থেকে আমদানি করা হবে। এখনও পর্যন্ত দেশে ৪ লাখ পিপিই স্টকে আছে। তবে কবে তা বিদেশ থেকে আমদানি করা হবে সে ব্যাপারে কিছু জানানো হয়নি।

    এই বিবৃতিতে আরও জানানো হয়েছে, এই মুহূর্তে ভারতের সব হাসপাতাল মিলিয়ে ১১ লাখ ৯৫ হাজার এন৯৫ মাস্ক রয়েছে। এছাড়া দুটি ঘরোয়া সংস্থা প্রতিদিন আরও ৫০ হাজার মাস্কের জোগান দিচ্ছে। আগামী সপ্তাহ থেকে তা দৈনিক ১ লাখ হতে চলেছে। কিন্তু তারপরেও তা চাহিদার অনুপাতে নয়। শুধুমাত্র তামিলনাড়ু ২৫ লাখ মাস্কের অর্ডার দিয়েছে, যা ভারতে এই মুহূর্তে থাকা মাস্কের দ্বিগুণ।

    এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে চাহিদা মেটাতে ২০ লাখ কভারঅল, ২০ লাখ প্রোটেকটিভ চশমা, ৫০ লাখ এন৯৫ মাস্ক, ৪ কোটি ট্রিপল লেয়ার সার্জিক্যাল মাস্ক, ৪০ লাখ গ্লাভস ও ১০ লাখ বোতল হ্যান্ড স্যানিটাইজার দরকার। কী ভাবে তার জোগান হবে সেটাই ভাবছে কেন্দ্র।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More