রাহুলের টুইটে নেতাজির মৃত্যুদিন

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: শেষ দশ দিন তাঁকে দেখা যায়নি দিল্লিতে। ১১ জানুয়ারি দুবাইতে সাংবাদিক সম্মেলনের পর ‘ভ্যানিশ’ হয়ে গিয়েছিলেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। যদিও মঙ্গলবার কংগ্রেস সূত্রে জানা গিয়েছিল, বুধবারই তিনি উত্তরপ্রদেশে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাবেন। কিন্তু এ দিন সকালে টুইট করে রাহুল গান্ধী প্রকাশ্যে তো এলেনই, সঙ্গে উসকে দিলেন বিতর্ক। তাও আবার বাঙালির আবেগ নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুকে নিয়ে।

    এ দিন সকালে নেতাজির জন্মদিন উপলক্ষে টুইট করেন কংগ্রেস সভাপতি। সেই টুইটে রয়েছে একটি পোস্টার। নেতাজির ছবির পাশের লেখা, “একজন মানুষ একটি আদর্শের জন্য তাঁর প্রাণ বিসর্জন দিয়েছিলেন। তাঁর মৃত্যুর পরে সেই আদর্শই সঞ্চারিত হলো লক্ষ-কোটি মানুষের মধ্যে।” পোস্টারের নীচে নেতাজির জন্ম সাল এবং তারিখ ২৩ জানুয়ারি, ১৮৯৭-এর পাশে তাঁর ‘মৃত্যুর’ সাল ও তারিখ ১৮ অগস্ট, ১৯৪৫ লেখা রয়েছে।

    এই মৃত্যু দিন লেখা নিয়েই তৈরি হয়েছে বিতর্ক। ওই দিনটি তাইহকু বিমান দুর্ঘটনার দিন হলেও, সেই ঘটনায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে কিনা, সেই বিতর্কের এখনও অবসান হয়নি। ইতিহাসবিদদের একাংশ মনে করেন, ওই ঘটনার পরে কোনও এক সময় তিনি রাশিয়াতেও যান। লোকমুখে এমন গল্পও প্রচলিত হয়ে প্রায় বিশ্বাসের পর্যায় চলে গিয়েছিল যে, শৌলমারির এক সাধুই নাকি নেতাজি।

    বিশ্বাস-অবিশ্বাসের এই সব দোলাচলের মধ্যেই স্বাধীনতার পর থেকে নেতাজি অন্তর্ধান রহস্য উদ্ঘাটনে একাধিক কমিশন হয়েছে, যেগুলিও কোনও সঠিক তথ্যে পৌঁছোতে পারেনি। এর মধ্যে হঠাৎ করে রাহুলের এই টুইট তাই দেশ জুড়ে বিপুল কৌতূহল ও বিস্ময় সৃষ্টি করেছে। টুইটেই বহু মানুষ প্রশ্ন তুলেছেন রাহুল এই তথ্য পেলেন কোথা থেকে? তার সূত্র কী? ফরওয়ার্ড ব্লক নেতা নরেন চট্টোপাধ্যায় বলেন, “এই টুইটের জন্য দেশের মানুষের কাছে রাহুল গান্ধীকে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে। ওঁর মতো একজন দায়িত্বশীল রাজনীতিকের এটা জানা উচিত, এখনও দেশের সরকারের কাছে নেতাজির মৃত্যু নিয়ে কোনও প্রমাণ নেই। যে কারণে দেশের সরকার মরণোত্তর ভারতরত্ন দেওয়ার কথা ঘোষণা করেও সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছিল।”

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More