শনিবার, সেপ্টেম্বর ২১

ছত্তীসগড়ের রাজনন্দগাঁওয়ের পর বস্তার, সেনার গুলিতে নিকেশ ৫ মাওবাদী, বড় সাফল্য বলল প্রশাসন

দ্য ওয়াল ব্যুরো: গত দু’মাসে লাগাতার সাত বার মাওবাদী হানা রুখল ছত্তীসগড় পুলিশ, সেনা ও অ্যান্টি মাওবাদী অপারেশনে দক্ষ ডিসট্রিক্ট রিজার্ভ গার্ড (ডিআরজি)। চলতি মাসেই এই নিয়ে পর পর দু’বার হামলা চালাল মাওবাদীরা। মাসের প্রথমে ছত্তীসগড়ের রাজনন্দগাঁওতে, আজ, শনিবার সকালে বস্তারের নারায়ণপুর জেলার দুর্ভেদ্য অবুঝমাড় জঙ্গলে। সেনার গুলিতে নিকেশ হল পাঁচ মাওবাদী। গুরুতর জখম ছত্তীসগড় পুলিশের ডিসট্রিক্ট রিজার্ভ গার্ডের দুই জওয়ানও।

পুলিশ জানিয়েছে, এ দিন সকালে অবুঝমাড়ের জঙ্গলে মাওবাদী দমন অভিযানে নেমেছিল সেনা-পুলিশের যৌথ দল। নারায়ণপুর থেকে প্রায় ১৯ কিলোমিটার ভিতরে এই জঙ্গলে মাওবাদীদের ক্যাম্পে হামলা চালানোর জন্য অনেকদিন ধরেই আঁটঘাট বাঁধছিল সেনা ও পুলিশের ডিসট্রিক্ট রিজার্ভ গার্ড। গোপন সূত্রে খবর ছিল, এই শিবিরে একজোট হয়ে নতুন করে নাশকতার ছক কষছে মাওবাদীরা।

নারায়ণপুরের অবুঝমাড় জঙ্গল মহারাষ্ট্র ও ছত্তীসগড়ের মধ্যে পড়ে।প্রায় ৬০০০ বর্গ কিলোমিটার এলাকা নিয়ে ঘন, দুর্ভেদ্য পাহাড় ঘেরা এই অরণ্য মাওবাদীদের অন্যতম প্রধান ঘাঁটি। ২০১৭ সালে সরকারের তরফ থেকে এই জঙ্গল সার্ভের জন্য লোকজন পাঠানো হয়। কিন্তু, মাওবাদীরা আইইডি বিস্ফোরণ ঘটিয়ে তাঁদের মধ্যে অনেককেই মেরে ফেলে। তার পর থেকে এই জঙ্গল ধরাছোঁয়ার বাইরেই থেকে গেছে।

ডিজিপি ডিএম আওয়াস্তী জানিয়েছেন, সেনাদল দেখেই মাওবাদীরা তাদের গোপন আস্তানা থেকে গুলি চালাতে শুরু করে। পাল্টা জবাব দেয় সেনা ও ডিআরজিও। গুলির লড়াইয়ে নিকেশ হয় পাঁচ মাওবাদী। জখম হন দুই জওয়ানও। তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ডিজিপি জানিয়েছেন, পাঁচ মাওবাদীর দেহ ও ঘটনাস্থল থেকে প্রচুর পরিমাণে অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র, কার্বাইন উদ্ধার হয়েছে।

গত ৩ অগস্ট,  রাজনন্দগাঁও জেলার সিতাগোলা গ্রামের জঙ্গলের কাছে নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে জোরদার গুলির লড়াই চলে মাওবাদীদের।ডিআরজি জানায়,ওই এনকাউন্টারে সাত মাওবাদী খতম হয়েছে। উদ্ধার হয়েছে প্রচুর পরিমাণে আগ্নেয়াস্ত্র।

Comments are closed.