শনিবার, আগস্ট ২৪

এক রাতে কাশ্মীর স্বাভাবিক হবে না, সময় নিক কেন্দ্র, মন্তব্য সুপ্রিম কোর্টের

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ৩৭০ ধারা বিলোপের পর থেকে একটাই প্রশ্ন ঘুরে বেরিয়েছে, এ বার কি তাহলে উপত্যকা শান্ত হবে?

কাশ্মীরের কার্ফু এবং ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধের বিরুদ্ধে একটি মামলার শুনানিতে দেশের শীর্ষ আদালত জানিয়ে দিল, কাশ্মীরের পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে কেন্দ্রীয় সরকার পর্যাপ্ত সময় নিক। সুপ্রিম কোর্ট এ দিন স্পষ্ট করে বলেছে, “আমরা সবাই কাশ্মীরের স্বাভাবিকতা চাই। আমরা চাই উপত্যকায় শান্তি বিরাজ করুক। কিন্তু এক রাতে তা হবে না। এটা একটা স্পর্শকাতর বিষয়।” এই মামলার শুনানি দু’সপ্তাহের জন্য মুলতুবি করে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

গত ৪ অগস্ট থেকে বেনজির নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে গোটা জম্মু ও কাশ্মীরকে। ৫ অগস্ট প্রথমে মন্ত্রিসভার বৈঠক তারপর রাজ্যসভায় বিল পেশ করে কেন্দ্র। ৩৭০ ধারা উঠে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই জম্মু ও কাশ্মীর থেকে উঠে যায় বিশেষ সাংবিধানিক মর্যাদা। একই সঙ্গে  জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখকে দুটি আলাদা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ঘোষণা করে দেয় নরেন্দ্র মোদী সরকার। ৬ অগস্ট লোকসভায় বিল পাশ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আনুষ্ঠানিক সিলমোহর দিয়ে দেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ।

ওই সময় থেকেই গোটা উপত্যাকায় জারি করা হয়েছে কার্ফু। বিস্তীর্ণ অংশে বন্ধ ফোন ও ইন্টারনেট পরিষেবা। সেনাবাহিনীর জওয়ানরাও তাঁদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলতে পারছেন না। এ সব তুলে নেওয়ার আর্জি নিয়েই পিটিশন দাখিল হয় সুপ্রিম কোর্টে। সেই শুনানিতেই এ দিন অ্যাটর্নি জেনারেল কে বেনুগোপাল বলেন, “আমরা আশা করছি দ্রুত এই সমস্যা মিটে যাবে।” অর্থাৎ, চালু হবে ফোন ও ইন্টারনেট পরিষেবা এবং উঠবে কার্ফু।

২০১৬ সালে বুরহান ওয়ানি-সহ তিন জঙ্গির মৃত্যুর পর একই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল কাশ্মীরে। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল ইন্টারনেট ও ফোন পরিষেবা। সে কথাও এ দিন আদালতে বলেন অ্যাটর্নি জেনারেল। এর প্রেক্ষিতেই আদালত বলে, “আমাদের গোটা পরিস্থিতিটা বুঝতে হবে। ওকাহ্নকার ছবিটা কি দেখতে হবে। তবে কেন্দ্র সময় নিক। তারপর মামলাকারীরা আবার আসতে পারেন আদালতে।”

Comments are closed.