সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ ছড়ানোর অভিযোগ, কঙ্গনার বিরুদ্ধে এফআইআরের নির্দেশ মুম্বই আদালতের

টুইটার, সোশ্যাল মিডিয়ায় বেলাগাম কঙ্গনা। হিন্দু ও মুসলিমের মধ্যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ভাঙার চেষ্টা করে যাচ্ছেন অভিনেত্রী ও তাঁর দিদি, এমনই অভিযোগ এনে মুম্বইয়ের বান্দ্রা আদালতে পিটিশন দাখিল করেছেন সাহিল আশরাফালি সায়েদ নামে এক ব্যক্তি।

৫৩

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কৃষকদের ‘সন্ত্রাসবাদী’ বলে সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন। আদালতের নির্দেশ মেনে কঙ্গনার বিরুদ্ধে এফআইআরও দায়ের করেছে কর্নাটক পুলিশ। এবার সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ ছড়ানোর অভিযোগ উঠল অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে।

টুইটার, সোশ্যাল মিডিয়ায় বেলাগাম কঙ্গনা। হিন্দু ও মুসলিমের মধ্যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ভাঙার চেষ্টা করে যাচ্ছেন অভিনেত্রী ও তাঁর দিদি, এমনই অভিযোগ এনে মুম্বইয়ের বান্দ্রা আদালতে পিটিশন দাখিল করেছেন সাহিল আশরাফালি সায়েদ নামে এক ব্যক্তি। পিটিশনে সাহিল বলেছেন, কঙ্গনা ও তাঁর দিদি রাঙ্গোলি চান্দেলের ফ্যান-ফলোয়ার গ্রুপ অনেক বড়। তাঁদের পোস্ট বহুজনের মধ্যে ছড়ায়। আর এই বিরাট ফলোয়ার গ্রুপের ফায়দা নিয়েই সাম্প্রদায়িক উত্তেজনামূলক পোস্ট সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দিচ্ছেন কঙ্গনা ও রাঙ্গোলি। পিটিশনে সাহিল আরও বলেছেন, দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে ভাঙন ধরানোর চেষ্টা করছেন কঙ্গনা। তিনি গত কয়েকমাসে এমন সব মন্তব্য করে পোস্ট করেছেন যাতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট হতে পারে। অভিনেত্রীর প্রতিটি পোস্টেই ধর্মীয় বিদ্বেষমূলক কথাবার্তা লেখা থাকে বলে দাবি সাহিলের।

এই পিটিশনের ভিত্তিতেই কঙ্গনা ও তাঁর দিদির বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করার নির্দেশ দিয়েছেন বান্দ্রা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জয়দেও ওয়াই ঘুলে। তিনি জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে যা অভিযোগ জমা পড়েছে তা খতিয়ে দেখে বোঝা যাচ্ছে ইলেকট্রনিক মিডিয়াকে ব্যবহার করে সাম্প্রদায়িক ঘৃণা ছড়ানোর চেষ্টা হচ্ছে। বিভিন্ন সাক্ষাৎকার, সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন অভিনেত্রী। এই পোস্টগুলি খতিয়ে দেখে তদন্ত হওয়া দরকার।

সাহিল নিজের পরিচয় দিয়েছেন কাস্টিং ডিরেক্টর ও ফিটনেস ট্রেনার হিসেবে। রামগোপাল ভার্মা, সঞ্জয় গুপ্ত, নাগার্জুনার মতো পরিচালক ও প্রযোজকের সঙ্গে কাজ করার দাবিও করেছেন। সাহিলের অভিযোগ, পালঘরে হিন্দু সাধুদের পিটিয়ে মারার ঘটনায় বৃহন্মুম্বই পুরসভাকে ‘বাবর সেনা’ উল্লেখ করে টুইট করেছিলেন কঙ্গনা। শিবসেনার সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়ে আগেই মুম্বইকে ‘পাক অধিকৃত কাশ্মীর’ বলেছিলেন। অভিনেত্রী জানিয়েছিলেন, অযোধ্যা ও কাশ্মীর নিয়ে ছবি বানাবেন তিনি। মহারাষ্ট্রে গণতন্ত্র নেই বলেও অভিযোগও করেন। সাহিলের দাবি, সাম্প্রদায়িক অসন্তোষ ছড়াতে পারে এমন মন্তব্যই করে যাচ্ছেন কঙ্গনা ও তাঁর দিদি রাঙ্গোলি। অভিযোগকারী ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৫৩এ, ২৯৫এ, ১২৪ ধারায় কঙ্গনা ও রঙ্গোলির বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছেন। তাঁর দাবি, অভিনেত্রীর এইসব টুইটের পিছনে আসল উদ্দেশ্য কী সেটা খতিয়ে দেখার জন্য তদন্ত হওয়া দরকার।

নয়া কৃষি বিলের বিরুদ্ধে মুখ খুলেও বিতর্কে জড়িয়েছেন কঙ্গনা। টুইটারে কৃষকদের সন্ত্রাসবাদী বলার অভিযোগে অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে মামলা করার নির্দেশ দেয় টুমকুরু জেলা আদালত। আদালতের নির্দেশ মেনে কর্নাটক পুলিশ দাঙ্গায় উস্কানি, বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে শত্রুতায় ইন্ধন সহ ফৌজদারি কার্যবিধির একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করেছে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More