টিকটক ভিডিওতে মাথায় গুলি, মায়ের সামনেই মৃত্যু কিশোরের

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: টিকটক ভিডিও করতে গিয়ে মাথায় গুলি করল এক কিশোর। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়েছে তার।

ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের বরেলির মুদিয়া ভিকামপুর গ্রামে। পুলিশ সূত্রে খবর, ১৮ বছরের কেশব কুমার সোমবার বিকেল পাঁচটা নাগাদ স্কুল থেকে ফিরে মা সাবিত্রী দেবীর কাছ থেকে তাঁর পিস্তল চায়। সাবিত্রী দেবী জানিয়েছেন, তাঁর পিস্তলের লাইসেন্স রয়েছে। পেশায় সেনা জওয়ানের ছেলে ক্লাস টুয়েলভের পড়ুয়া কেশবের টিকটক ভিডিও বানানোর নেশা ছিল। মাঝেমধ্যেই ভিডিও বানিয়ে সেগুলো নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করত কেশব।

সাবিত্রী দেবী জানিয়েছেন, “প্রথমে আমি পিস্তল দিতে চাইনি। কিন্তু কেশব অনেক করে বায়না করার পর শেষ পর্যন্ত আমার আলমারি থেকে পিস্তল বের করে ওকে দিই। তারপর আমি রান্নাঘরে কাজ করছিলাম। হঠাৎ করেই গুলি চলার শব্দ শুনি। সঙ্গে সঙ্গে ঘরে ঢুকে দেখি মাটিতে পড়ে রয়েছে কেশব। ওর মাথা থেকে রক্ত বেরিয়ে চারদিক ভেসে যাচ্ছে। সঙ্গে সঙ্গে ওকে বরেলির একটা বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে ডাক্তাররা ওকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।”

পুলিশ সূত্রে খবর, কেশবের বাবা বীরেন্দ্র রুরকিতে কর্মরত। তাঁর দুই সন্তান। কেশব ছোট। তার দিদির নাম প্রিয়াংশি। সাবিত্রী দেবী জানিয়েছেন, তিনি জানতেনই না পিস্তলটি গুলি রয়েছে। জানলে কিছুতেই তা কেশবের হাতে দিতেন না। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, পিস্তলটি নিজের ডানদিকের কাঁধে নিয়ে টিকটক ভিডিও করছিল কেশব। তখনই কোনওভাবে পিস্তল থেকে গুলি ছিটকে তার মাথায় লাগে। কেশবের ঘরে কাঁধে বন্দুক নিয়ে অনেক জওয়ানের ছবি টাঙানো রয়েছে। সেভাবেই ভিডিও তুলতে গিয়েছিল সে।

নবাবগঞ্জ পুলিশ থানার সার্কেল অফিসার যোগেন্দ্র যাদব জানিয়েছেন, “কেশবের পরিবার জানিয়েছে, দেহের ময়নাতদন্ত করার প্রয়োজন নেই। পিস্তলটি সাবিত্রী দেবীর নামে রয়েছে। সেটি তাঁর আলমারিতেই রাখা থাকত।” কিন্তু তারপরেও এই ঘটনায় একটি এফআইআর দায়ের করেছে পুলিশ। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে তারা।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More