টিকা ৬০% কার্যকরী হবে, দেশের বাজারে কবে আসবে তাও জানাল ভারত বায়োটেক

ভারত বায়োটেকের কোয়ালিটি অপারেশনের প্রেসিডেন্ট সাই ডি প্রসাদ বলেছেন, প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে টিকা ৬০% কার্যকরী হবে। তবে এর বেশিও হতে পারে।

১,৭২৪

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: মোডার্না, ফাইজারের টিকা ৯০ শতাংশ কার্যকরী হবে বলেই দাবি করা হয়েছে। তবে দেশের অন্যতম বড় ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি ভারত বায়োটেক পষ্টাপষ্টিই জানিয়ে দিয়েছে, কোভ্যাক্সিন টিকা প্রথম ধাপে খুব বেশি হলেও ৬০ শতাংশ কার্যকরী হবে। তবে টিকার তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল রিপোর্ট এলেই সেটা ভালভাবে বোঝা যাবে। মানুষের শরীরে কতটা কাজ দিল তা বিচার করে তবেই ফলাফল সামনে আনা হবে।

ভারত বায়োটেকের কোয়ালিটি অপারেশনের প্রেসিডেন্ট সাই ডি প্রসাদ বলেছেন, প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে টিকা ৬০% কার্যকরী হবে। তবে এর বেশিও হতে পারে। টিকার সেফটি ট্রায়ালের রিপোর্ট দেখে তবে সঠিকভাবে বলা যাবে। সাই প্রসাদ বলছেন, যে কোনও টিকা ৫০ শতাংশ কার্যকরী হলেই তাতে ছাড়পত্র দেয় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। মার্কিন ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন এবং ভারতের সেন্ট্রাল ড্রাগ স্ট্যান্ডার্ড কন্ট্রোল অর্গানাইজেশন (সিডিএসসিও)-এর নিয়মও তাই। প্রথম দুই পর্যায়ে টিকার ট্রায়ালের ফল দেখেই ধারণা যে টিকা ৬০ শতাংশ কার্যকরী হতে পারে। তবে এর বেশি হতেও পারে। বয়স্কদের শরীরেও ভালভাবে কাজ করবে এই টিকা।

দেশের বাজারে টিকা কবে আসবে সে নিয়ে সাই প্রসাদের বক্তব্য, এপ্রিল থেকে জুন মাস টার্গেট করা হয়েছে। প্রথমে ভারত বায়োটেক জানিয়েছিল, সব ঠিক থাকলে ফেব্রুয়ারির মধ্যেই টিকা চলে আসার সম্ভাবনা আছে। তবে তৃতীয় পর্বের ট্রায়াল সম্পূর্ণ শেষ করে স্বেচ্ছাসেবকদের শরীরে টিকার কার্যকারিতা ও সুরক্ষার বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে তবেই টিকা আনা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। চূড়ান্ত পর্বের ট্রায়াল মিটিয়ে খাতায়কলমে ভ্যাকসিন রেগুলেটরি কমিটির অনুমোদন নিয়ে টিকা দেশের বাজারে আনতে এপ্রিল মাস হয়ে যাবে।

Image

ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে করোনার টিকা কোভ্যাক্সিন বানিয়েছে ভারত বায়োটেক। কোভ্যাক্সিন হল ইনঅ্যাক্টিভেটেড ভ্যাকসিন অর্থাৎ ভাইরাল স্ট্রেন নিষ্ক্রিয় করে বানানো হয়েছে। এই টিকার প্রথম দুই পর্বের ক্লিনিকাল ট্রায়ালে রিপোর্ট ভাল বলেই দাবি করেছে ভারত বায়োটেক। ২৮ দিনের ব্যবধানে টিকার দুটি ডোজ দেওয়া হয়েছিল। টিকার ডোজে স্বেচ্ছাসেবকদের শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে বলেও জানিয়েছেন সংস্থার ভাইরোলজিস্টরা। প্রথম দুই পর্বে ২০টি রেসাস প্রজাতির বাঁদরের শরীরেও টিকার ইঞ্জেকশন দেওয়া হয়েছিল। ১৪ দিন পরে বাঁদরদের শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি শুরু হয়। ভারত বায়োটেক জানায়, টিকার ডোজে পশুদের শরীরেও অভূতপূর্ব ফল দেখা গিয়েছে।

চূড়ান্ত পর্বে ২৬ হাজার জনকে টিকা দিচ্ছে ভারত বায়োটেক। দেশের ২৫টি জায়গায় চলছে টিকার ট্রায়াল। ভারত বায়োটেক জানিয়েছে, কেন্দ্রের গাইডলাইন মেনে তৃতীয় পর্বে অ্যাসিম্পটোমেটিক বা উপসর্গহীন রোগীদের উপর টিকার ডোজের পরীক্ষা হবে। ইমিউনোজেনিসিটি ডেটা অর্থাৎ টিকার ডোজে নির্দিষ্ট দিনের ব্যবধানে কতটা রোগ প্রতিরোধ শক্তি তৈরি হয়েছে তার তথ্য জমা করতে হবে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More