জয়া বচ্চন কোন স্কুলে পড়তেন জানেন! কেবিসি-র হট সিটে বসে কী বললেন অধ্যাপক? অবাক অমিতাভও

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: ‘কৌন বনেগা ক্রোড়পতি’-র মঞ্চ মানেই চমক। কখনও প্রত্যন্ত গ্রামের ‘খিচুড়ি আন্টি’ শোনান ছাত্রছাত্রীদের প্রতি তাঁর অপত্যস্নেহের কথা, আবার কখনও কানপুরের ‘পঙ্গু’ মেয়েটি শোনায় তাঁর জীবনসংগ্রামের গল্প। তবে ২৫ অক্টোবরের কেবিসি-র এপিসোড ছিল একটু অন্যরকম। এখানে দর্শকরা তো বটেই, হতবাক হয়ে গিয়েছিলেন স্বয়ং অমিতাভ বচ্চনও।

    “জয়াজি (জয়া বচ্চন)-কে তো কবে থেকে চিনি। আমার স্কুলেই তো পড়তেন,” হট সিটে বসে বলে চলেছেন প্রবীণ অধ্যাপক ড. সুশীল কুমার মাখিজা। উল্টো দিকে এক আকাশ বিস্ময় নিয়ে তাকিয়ে রয়েছেন বিগ-বি। কয়েক সেকেন্ডের নিস্তব্ধতা। হতভম্ব ভাবটা যেন কিছুতেই কাটতে চাইছিল না অমিতাভের। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে অধ্যাপক ফের বলেন, এত বড়মাপের একজন তারকা যে তাঁরই সহপাঠী ছিলেন, সে জন্য তিনি ধন্য। ততক্ষণে অবাক ভাবটা কেটেছে অমিতাভের। মুখেও হাসি ফুটেছে।

    নাগপুরের বাসিন্দা সুশীল কুমার। সেখানকারই একটি কলেজে অধ্যাপনা করেন। কেবিসি ১১ সিজ়নের ২৫ অক্টোবরের এপিসোডে বাকি প্রতিযোগীদের হারিয়ে হট সিটে বসার সুযোগ পান তিনিই। গোটা এপিসোডে অমিতাভের সঙ্গে আলাপচারিতায় তাঁর বইপ্রেমের কথাই বেশি ফুটে ওঠে। অধ্যাপক জানান, বই তাঁর প্রাণ। দেশ-বিদেশের অন্তত ৫০০ বই রয়েছে তাঁর সংগ্রহে। ছাত্র পড়ানো আর বই পড়া–এই দুই তাঁর জীবনের মূল লক্ষ্য। সংসার করেননি। বই নিয়ে কেটে যান সারাদিন।

    আরও পড়ুন: ‘মৃত শিশুকন্যা’ বলে আস্তাকুঁড়ে ছুড়ে ফেলা হয়েছিল, কেবিসি-র মঞ্চে জিতে গেল সেই নূপুরই

    কথোপকথনের মাঝেই উঠে আসে ছেলেবেলায় তাঁর স্কুলের প্রসঙ্গ। অধ্যাপক জানান, নাগপুরের দীনানাথ হায়ার সেকেন্ডারি স্কুলেরই একটি ভাগ ছিল বেঙ্গলি গার্লস হাইস্কুল। সেখানেই এক বছর পড়াশোনা করেছিলেন অমিতাভ-ঘরনী। প্রবীণ অধ্যাপকের কথা শুনে অমিতাভের হতভম্ব দশা দেখেই বোঝা যায়, এই বিষয়ে তিনি কিছুই জানতেন না। সেটা স্বীকারও করেন অমিতাভ। অধ্যাপক বলেন, ১৯৭১ সালে যখন ‘গুড্ডি’ সিনেমা মুক্তি পায়, তখন ওই স্কুলেই পড়তেন জয়া বচ্চন। সিনেমা হিট করার পরে যথন জয়ার পরিচিতি বাড়ে, স্কুলে এলে সকলেই প্রায় ঘিরে ধরতেন তাঁকে।

    “ছেলেবেলায় আমরা সহপাঠী ছিলাম এটাই খুব গর্বের আমার কাছে। নাগপুরের স্কুল থেকেই একজন তারকার জন্ম হয়েছে এটা শুধু আমাদের নয়, গোটা শহরের কাছেই গর্বের বিষয়,” হট সিটে বসেই বলেন অধ্যাপক সুশীল কুমার মাখিজা।

    বিগ-বিকে চমকে দিয়েছেন বটে, তবে অধ্যাপক কোটি টাকা জিততে পারেননি। ৩ লক্ষ ২০ হাজার টাকা নিয়ে মাঝপথেই ফিরতে হয়েছে তাঁকে।

    আরও পড়ুন:

    কেবিসি-র মঞ্চে কোটিপতি ‘খিচুড়ি আন্টি’, স্কুলে মিড-ডে মিল রেঁধে মাসে রোজগার ১৫০০ টাকা

    মায়ের সঙ্গে কথাবার্তা

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More