রবিবার, নভেম্বর ১৭

অযোধ্যা মামলার রায় ঘোষণার পরই মমতাকে ফোন অমিত শাহের

দ্য ওয়াল ব্যুরো: অযোধ্যা মামলার রায় ঘোষণার পরেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ফোন করলেন বাংলার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সূত্রের খবর, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। রাজ্যের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে খোঁজখবর নেন। কয়েক মিনিট কথা হয় দু’জনের মধ্যে। জানা গিয়েছে, শুধু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন। দেশের সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের ফোন করেই সংশ্লিষ্ট রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তার বন্দোবস্তের ব্যাপারে খোঁজ নেন শাহ।

অযোধ্যা মামলার রায় ঘোষণা যে শনিবার সকালে হবে, তা জানা গিয়েছিল শুক্রবার রাত সাড়ে ন’টা নাগাদ। দেশের প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈয়ের অবসরের সময় যত এগিয়ে আসছিল, ততই উৎকন্ঠা বাড়ছিল ঐতিহাসিক এই মামলার রায় নিয়ে। বেশ কয়েকদিন ধরেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী থেকে অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতারা রায় পরবর্তীতে শান্তি বজায় রাখার আবেদন জানাচ্ছিলেন।

বৃহস্পতিবার দলের বর্ধিত ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক শেষে বাংলার মুখ্যমন্ত্রীও একই আবেদন জানিয়েছিলেন। সেইসঙ্গে বলেছিলেন, “রায় দেখে যা বলার বলব।” দলের নেতাদের উদ্দেশে বার্তা দিয়ে বলেছিলেন, তিনি ছাড়া কেউ যেন অযোধ্যা নিয়ে কোনও মন্তব্য না করেন। যদিও এদিন সকাল সাড়ে এগারোটার মধ্যে রায় স্পষ্ট হয়ে যাওয়ার পরও বিকেল সাড়ে তিনটে পর্যন্ত তৃণমূলের তরফে অযোধ্যা রায় নিয়ে প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়নি।

শুক্রবার রাতে অযোধ্যা মামলার রায় ঘোষণার পর নবান্নের তরফেও নিরাপত্তার বিষয়ে তৎপরতা শুরু হয়ে গিয়েছিল। রাজ্যের সমস্ত থানাকে সজাগ থাকার নির্দেশ দিয়েছিল সরকার। স্পর্শকাতর এলেকাগুলির পুলিশ কর্তাদের বিশেষ করে সতর্ক করা হয়েছিল প্রশাসনের সর্বচ্চ স্তর থেকে।

সুপ্রিম কোর্ট দু’পক্ষের শুনানি থেকে যে সিদ্ধান্ত বেরিয়েছে তা পড়ে শোনানোর পর মূল রায় ঘোষণা করে। প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন পাঁচ সাংবিধানিক বেঞ্চ সর্বস্মমত ভাবে এই মামলার রায় জানিয়েছেন। তাতে বলা হয়েছে, তিন মাসের মধ্যে কেন্দ্র বা উত্তর প্রদেশ রাজ্য সরকার ট্রাস্ট গঠন করে অযোধ্যার বিতর্কিত জমি হিন্দুদের জন্য দেবে। আর অন্যত্র ৫ একর জমি দেওয়া হবে মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য।

Comments are closed.