কৃষি আইনের প্রতিবাদে এবার অনশনে বসছেন পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী, আইনজীবীদের সঙ্গেও আলোচনা

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরোঃ রবিবার প্রবল বিরোধিতার মুখেও কৃষি বিলে সই করেছেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। তারপরেই তিনটি নতুন কৃষি আইনের বিরোধিতা আরও বাড়ছে দেশজুড়ে। বিশেষ করে পাঞ্জাব ও হরিয়ানায় এই বিক্ষোভ সবথেকে বেশি বেড়েছে। এই কৃষি আইনের প্রতিবাদে এবার অনশনে বসতে চলেছেন পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং। স্বাধীনতার সংগ্রামী ভগত সিংয়ের গ্রাম খাটকার কালানে আজ অনশনে বসবেন তিনি।

রবিবার অমরিন্দর সিং জানিয়েছেন, তাঁর সরকার চেষ্টা করছে যাতে এই আইন পাঞ্জাবে বলবত না হয়। তার জন্য কোনও আইনি পদক্ষেপ করা যায় কিনা সে বিষয়ে আলোচনা চলছে। একটি বিবৃতি দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমরা আইনজীবী ও কৃষি বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলছি। কেন্দ্রীয় সরকারের এই জনবিরোধী আইন থেকে কোনও ভাবে পাঞ্জাবের মানুষদের বাঁচানো যায় কিনা সে বিষয়ে কথা বলা হচ্ছে।”

গত সপ্তাহ ধরেই কৃষি বিলের বিরোধিতায় রাস্তায় নেমেছিলেন কৃষকরা। সংসদেও সুর চড়িয়েছিলেন বিরোধীরা। কিন্তু তা স্বত্ত্বেও সংসদের দুই কক্ষেই ধ্বনিভোটে পাশ হয়ে গিয়েছে বিল। রবিবার রাষ্ট্রপতির সইয়ের পর তা আইনে পরিণত হয়েও গিয়েছে।

পাঞ্জাবের কৃষকরা গত সপ্তাহ থেকেই রেল রোকো কর্মসূচি নিয়েছে। রেলের তরফে জানানো হয়েছে, এর ফলে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের রফতানিতে সমস্যা হচ্ছে। উত্তর এবং উত্তর-মধ্যে রেলের জেনারেল ম্যানেজার রাজীব চৌধরী সংবাদসংস্থা পিটিআইকে জানিয়েছেন, “এভাবে রেল রোকো আন্দোলনের ফলে নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী ও যাত্রীদের যাতায়াতে সমস্যা হচ্ছে। এর প্রভাব গোটা রেল যোগাযোগ ব্যবস্থার উপর পড়ছে।”

অবশ্য নিজেদের বিরোধিতা থেকে সরে আসতে নারাজ কৃষকরা। তাদের সঙ্গে রয়েছে বিরোধী দলগুলি। সংসদে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে একটি অলিখিত জোট তৈরি হয়েছে। ইতিমধ্যেই এনডিএ জোট ছেড়ে বেরিয়ে এসেছেন বিজেপির সবথেকে পুরনো সঙ্গী অকালি দল। এক বিরোধী ঐক্যের ডাক দিয়েছে তারা। মন্ত্রীত্ব থেকে ইস্তফা দিয়েছেন অকালি দল নেত্রী হরসিমরত কউর বাদলও। অকালি দল এনডিএ জোট ছেড়ে বেরিয়ে আসায় ভালরকমের ধাক্কা খেয়েছে বিজেপি।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আবার বারবার বলছেন, এই আইন করা হয়েছে কৃষকদের ভালর জন্যই। বিরোধীরা তাঁদের ভুল বোঝাচ্ছেন। এই কারণে কৃষকদের কাছে যাতে সঠিক বার্তা যায় তার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে নেতা-কর্মীদের উপর। তাদের বলা হয়েছে কৃষকদের মধ্যে গিয়ে আলোচনার মাধ্যমে সঠিক কথা তাঁদের বোঝাতে হবে। তাহলেই বিক্ষোভের রাস্তা থেকে তাঁরা সরে আসবেন বলে আসা প্রধানমন্ত্রীর।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More