২৪ ঘণ্টায় ভারতে নতুন কোভিড পজিটিভ প্রায় ৯ হাজার, তবে ইতিমধ্যেই সুস্থ হয়েছেন ১ লাখের বেশি

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভারতে প্রতিদিন নতুন রেকর্ড করছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আক্রান্তের সংখ্যা এখনও পর্যন্ত সবথেকে বেশি। একদিনে ৮৯০৯ জন আক্রান্ত হয়েছেন করোনাভাইরাসে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের বুলেটিন অনুযায়ী, বুধবার, ৩ জুন, সকাল ৮টা পর্যন্ত দেশে আক্রান্তের সংখ্যা ২,০৭,৬১৫।

    তবে ইতিমধ্যেই দেশে কোভিড ১৯ আক্রান্তের মধ্যে সুস্থ হয়ে ওঠার সংখ্যা ১ লাখ ছাড়িয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের বুলেটিন অনুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৭৭৪ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। এই মুহূর্তে দেশে সুস্থ হয়ে ওঠার মানুষের সংখ্যা ১,০০,৩০৩। অর্থাৎ এই মুহূর্তে দেশে সুস্থতার হার ৪৮.৩১ শতাংশ। ভারতে ক্রমাগত সুস্থতার হার বৃদ্ধি এক ইতিবাচক ইঙ্গিত বলেই জানিয়েছে স্বাস্থ্যমন্ত্রক।

    এই বুলেটিনে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ২১৭ জনের। অর্থাৎ কোভিড ১৯ আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৫৮১৫ জনের। এই মুহূর্তে ভারতে কোভিড অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা ১,০১,৪৯৭।

    দেশের মতোই আক্রান্তের সংখ্যা হু হু করে বাড়ছে মহারাষ্ট্রে। বুধবার সকাল পর্যন্ত সেখানে আক্রান্তের সংখ্যা ৭২,৩০০। মৃত্যু হয়েছে ২৪৬৫ জনের। তারপরেই রয়েছে তামিলনাড়ু। এই রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা ২৪,৫৬৬। মৃত্যু হয়েছে ১৯৭ জনের। তৃতীয় স্থানে রয়েছে রাজধানী দিল্লি। এখানে আক্রান্তের সংখ্যা ২২,১৩২। মৃতের সংখ্যা ৫৫৬। খুব একটা পিছিয়ে নেই গুজরাতও। এই রাজ্যে আক্রান্ত হয়েছেন ১৭,৬১৭ জন। মৃত্যু হয়েছে ১০৯২ জনের।

    এই চার রাজ্য মিলিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১,৩৬,৬১৫। অর্থাৎ দেশের ৬৫.৮০ শতাংশ আক্রান্ত এই চার রাজ্যেই রয়েছে। মৃতের পরিসংখ্যান তো আরও ভয়াবহ। এই চার রাজ্যে মোট মৃতের সংখ্যা ৪৩১০, যা দেশের মোট মৃত্যুর ৭৪.১২ শতাংশ।

    ভারতে গত ১৫ দিনে আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ বেড়েছে। এই পরিসংখ্যান উদ্বেগের হলেও স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানিয়েছে, এই সংখ্যা বাড়ার কয়েকটি নির্দিষ্ট কারণ রয়েছে। প্রথম কারণ হল টেস্টের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়া। বর্তমানে প্রতিদিন দেশে ২ লাখের বেশি টেস্ট হচ্ছে। সুতরাং আক্রান্তের সংখ্যা বাড়বে, এটাই স্বাভাবিক। তাছাড়া গত এক মাস ধরে ভিন রাজ্যের শ্রমিকদের নিজেদের রাজ্য ফেরানো হচ্ছে। তারপর তাঁদের নমুনা পরীক্ষা হচ্ছে,। এই শ্রমিকদের ফলেই সব রাজ্যে সংক্রামিতের সংখ্যা বাড়ছে বলেই জানিয়েছে স্বাস্থ্যমন্ত্রক।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More