লাদাখ পরিদর্শনে বায়ুসেনা প্রধান, লেহ- র আকাশে দেখা গেল ভারতীয় যুদ্ধবিমান

২১

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: লাদাখে ভারত – চিন সংঘর্ষের পর থেকেই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে পরিস্থিতি। এর মধ্যেই গত বুধবার ও বৃহস্পতিবার লাদাখ পরিদর্শনে যান ভারতীয় বায়ুসেনার প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল আর কে এস ভাদোরিয়া। লেহ- র আকাশে দেখা গেল ভারতীয় যুদ্ধবিমান।

সূত্রের খবর, সংঘর্ষের পর সেখানে ভারতীয় বায়ুসেনার প্রস্তুতি দেখতেই গিয়েছিলেন এয়ার চিফ মার্শাল। বুধবার লেহ- র এয়ার বেসে যান ভাদোরিয়া। বৃহস্পতিবার তিনি যান শ্রীনগরের এয়ার বেসে। জম্মু কাশ্মীরে ভারতীয় বায়ুসেনার তিনটি এয়ার বেস রয়েছে। শ্রীনগর ও লেহ ছাড়া অবন্তিপুরাতে একটি এয়ার বেস রয়েছে বায়ুসেনার।

সংবাদসংস্থা এএনআই সূত্রে খবর, লাদাখে চিনের আগ্রাসনের পরে ভারতের বায়ুসেনা কতটা তৈরি রয়েছে তা তদারক করতেই এসেছিলেন বায়ুসেনা প্রধান। লাদাখের কাছে চিনের পিপলস লিবারেশন আর্মি প্রায় ১০ হাজার সেনা মোতায়েন করেছে। তৈরি রয়েছে তাদের যুদ্ধবিমানও। তাই ভারতীয় বায়ুসেনা কতটা তৈরি তা পরখ করে গেলেন ভাদোরিয়া। সেনাকে প্রয়োজনীয় নির্দেশও তিনি দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

শুক্রবার লেহ- র আকাশে ভারতীয় বায়ুসেনার যুদ্ধবিমানকে মহড়া দিতে দেখা গিয়েছে। তার মধ্যে সদ্য কেনা অ্যাপাচে অ্যাটাক হেলিকপ্টারও ছিল। জানা গিয়েছে, ভারতীয় বায়ুসেনার হতে থাকা তিনটি প্রধান অস্ত্র সুখোই – ৩০ এমকেআই, মিরাজ ২০০০ ও জ্যাগুয়ার যুদ্ধবিমানকে তৈরি রাখা হয়েছে। তাদের এমন জায়গায় রাখা হয়েছে, যাতে দরকার পরলে দ্রুত হামলা চালাতে পারে তারা। অন্যদিকে অ্যাপাচে অ্যাটাক হেলিকপ্টারকে রাখা হয়েছে স্থলবাহিনীর সবথেকে কাছে। প্রয়োজন হলে সবার আগে ঝাঁপিয়ে পড়বে এই যুদ্ধবিমান।

ভারতীয় বায়ুসেনার তরফে চিনের বায়ুসেনার কোনও গতিবিধির খবর দেওয়া না হলেও স্যাটেলাইট ইমেজে দেখা গিয়েছে, তিব্বতের এঙ্গারি এয়ার ফোর্স বেসে যুদ্ধবিমান তৈরি রেখেছে চিন। এই এয়ার ফোর্স বেস প্যাঙ্গন লেক থেকে খুব বেশি দূরে নয়। পাক অধিকৃত কাশ্মীরের স্কারদু এয়ার বেস থেকেও যুদ্ধবিমান চালাতে পারে চিন। তাই ভারতের তরফে সেখানে কড়া নজর রাখা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত কোনও চিনা যুদ্ধবিমান সেখানে দেখা যায়নি বলে খবর।

লাদাখের এই এলাকায় যুদ্ধবিমানের ক্ষেত্রে সুবিধা রয়েছে ভারতের। কারণ চিনের বেশিরভাগ এয়ার বেস অনেক উঁচুতে। ফলে সেখান থেকে যুদ্ধবিমানকে হামলা চালাতে হলে ওজন অনেক কমাতে হবে। ফলে অস্ত্রের পরিমাণ কম হবে। অন্যদিকে ভারতের সব এয়ার বেসই সমতল এলাকায়। উচ্চতা অনেকটাই কম। ফলে ভারতীয় যুদ্ধবিমান অনেক বেশি অস্ত্র নিয়ে হামলা চালাতে পারে। তাই আকাশে হামলা চালাতে ক্ষেত্রে অনেক বেশি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে চিনকে। কারণ তৈরি আছে ভারতীয় বায়ুসেনা।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More