বিতর্কের ঝড়ে নেতাজির ‘মৃত্যুদিন’-এর টুইট মুছল কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: টুইট করা মাত্রই তা দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়েছিল রবিবার। শুরু হয়েছিল বিতর্ক। অবশেষে চাপে পড়ে নেতাজির মৃত্যু নিয়ে টুইট প্রত্যাহার করল কেন্দ্রীয় তথ্য সম্প্রচার মন্ত্রকের অধীনস্ত সংস্থা প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো তথা পিআইবি।

    রবিবার, ১৮ অগস্ট সরকারি ভাবে সুভাষচন্দ্র বসুর ‘মৃত্যুদিন’ উল্লেখ করে টুইট করে পিআইবি। যা নিয়ে তুমুল বিতর্ক তৈরি হয় বিভিন্ন মহলে। এমনকী পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি নেতারাও এই সিদ্ধান্তে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। আরএসএস নেতারাও নেতাজির মৃত্যুর দিন নিয়ে সরব হন। প্রতিবাদ করেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায়।

    নেতাজির একটি ছবি ও তাঁর উক্তি ‘তোমরা আমাকে রক্ত দাও আমি তোমায় স্বাধীনতা দেব’ পোস্ট করে ১৮ অগস্টকে মৃত্যুদিন হিসাবে ঘোষণা করে দেয় পিআইবি। নেতাজির মৃত্যু হয়েছে কী হয়নি, যা নিয়ে এত কমিশন, এত চর্চা, তার পরও একটি সরকারি সংস্থা কী এমন টুইট করল তা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। গত বছরও একই ঘটনা ঘটিয়েছিল পিআইবি। বিতর্কও হয়েছিল।

    প্রসঙ্গত,  ১৯৪৫ সালের ওই দিনেই তাইহকু বিমান দুর্ঘটনার মুখে পড়েন সুভাষচন্দ্র বসু। মনে করা হয়, ওই বিমান দুর্ঘটনায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে। তবে, এখনও পর্যন্ত কোনও জোরালো প্রমাণ মেলেনি। বিশেষজ্ঞদের একাংশ মনে করেন, বিমান দুর্ঘটনায় নেতাজি মারা যাননি। যা নিয়ে পরবর্তীকালে একাধিক কমিশনও বসে।

    দেশজুড়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। পিআইবি-র এই টুইট প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে নেতাজি পরিবারের সদস্য এবং বিজেপি নেতা চন্দ্র বসু মন্তব্য করেছেন, “কোথাও একটা ভুল হচ্ছে। কোথাও কোনও ত্রুটি থেকে যাচ্ছে।”

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More