শুক্রবার, ডিসেম্বর ৬
TheWall
TheWall

মমতাকে অমিত শাহের কাছে রেফার করে দিয়েছেন মোদী: অধীর

দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বৈঠক থেকে বেরিয়েই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, বিষ্যুদবার দেখা করতে পারেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে। মমতা রাজি। এখন যদি অমিত শাহ সময় দেন তাহলেই দেখা হতে পারে দু’জনের। আর তা নিয়েই তৃণমূলনেত্রীকে তীক্ষ্ণ বাক্যবাণে বিঁধলেন লোকসভার কংগ্রেস দলনেতা অধীররঞ্জন চৌধুরী।  

বহরমপুরের পাঁচ বারের সাংসদ বলেন, “নরেন্দ্র মোদী রেফার করে দিয়েছেন অমিত শাহের কাছে।” তাঁর কথায়, যেই রাজীব কুমারের রক্ষাকবচ উঠে গেল, ওমনি দিদি দিল্লি চলে গেলেন। তাঁর হঠাৎ করে উন্নয়নের কথা মনে পড়ে গেল। কিন্তু আগে নীতি আয়োগের বৈঠকে যাননি। কৌতুহল তো হবেই! সন্দেহের অবকাশ রয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে যখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি সফরের কথা জানা যায়, তখন থেকেই বিরোধীরা আক্রমণ শানাতে শুরু করেছিলেন। বক্তব্য ছিল, হঠাৎ দিদির কী হল? যেই রাজীব কুমারকে সিবিআই তাড়া করে বেরাচ্ছে তখনই দিদির কেন্দ্র-রাজ্য সম্পর্ক উথলে উঠল কেন? সিপিএম, কংগ্রেস তো বটেই, বিজেপি নেতারাও এ নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি। সরাসরি বলে দিয়েছিলেন, মমতা রাজীব কেস ম্যানেজ করতেই দিদির এই দিল্লি দরবার।

মঙ্গলবার প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র বলেছিলেন, “হঠাৎ তৃণমূল নেত্রীর যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর কথা মনে পড়েছে। হঠাৎ কী হল, যে তাঁকে দিল্লি ছুটতে হল? আর ধর্নায় বসার মুখ নেই বুঝি!”

পর্যবেক্ষকদের অনেকে বলছেন, ভাটপাড়ার ঘটনা নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের উপুর্যুপুরি অ্যাডভাইজারি নোট নিয়ে কী রেগেই না গিয়েছিল তৃণমূল। মমতা মুখ না খুললেও, পার্থ চট্টোপাধ্যায়, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের মতো মন্ত্রীদের দিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করিয়ে বলেছিলেন, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক বাংলার বিরুদ্ধে রাজনীতি করতেই এ সব করছে। এ দিন অবশ্য মমতা বলেননি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কী অ্যাজেন্ডা নিয়ে বৈঠক। যেমনটা আগে বলেননি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের অ্যাজেন্ডা নিয়েও। শুধু আজ বেরিয়ে এসে জানিয়েছেন, “গভর্মেন্ট টু গভর্মেন্ট আলোচনা হয়েছে। রাজনীতি নিয়ে কোনও আলোচনা হয়নি।” কাল যদি শাহ-মমতা বৈঠক হয়, তাহলে দেখার কী নিয়ে তা হয়।

Comments are closed.