শিবসেনা সাংসদের সমালোচনার পরেই উদ্ধব ঠাকরের সঙ্গে দেখা করলেন সোনু সুদ

১৫

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: লকডাউনের মধ্যে পর্দার ভিলেন হয়ে উঠেছেন বাস্তবের হিরো। পরিয়ায়ী শ্রমিক, সেলাই মিলে কাজ করা মহিলা থেকে ইডলি বিক্রেতা, সবাইকে নিজের উদ্যোগে, নিজের খরচে তাঁদের রাজ্যে ফেরাচ্ছেন অভিনেতা সোনু সুদ। রাজনীতিবিদ থেকে শুরু করে বলিউডের অভিনেতা-অভিনেত্রীরা, সোনু সুদের এই উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন সবাই। এর মধ্যেই তাঁর সমালোচনা শোনা গিয়েছে শিবসেনা সাংসদ সঞ্জয় রাউতের মুখে। এই সমালোচনার পরেই শিবসেনা প্রধান তথা মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের সঙ্গে দেখা করলেন সোনু।

রবিবার উদ্ধব ঠাকরের বাড়ি মাতোশ্রীতে তাঁর সঙ্গে দেখা করতে যান অভিনেতা। এই সাক্ষাতের ব্যাপারে জানান উদ্ধবের ছেলে তথা মহারাষ্ট্রের ক্যাবিনেট মন্ত্রী আদিত্য ঠাকরে। টুইট করে তিনি বলেন, “আজ সোনু সুদ মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে, মন্ত্রী আসলাম শেখ ও আমার সঙ্গে দেখা করেন। একসঙ্গে মিলে যত বেশি মানুষকে সাহায্য করা যাবে ততই ভাল। একজন মানুষ, যিনি অন্যদের জন্য কাজ করছেন, তাঁর সঙ্গে দেখা করে ভাল লাগল।”

এই সাক্ষাতের পরেই সঞ্জয় রাউতের অভিযোগ উড়িয়ে দেন সোনু। সঞ্জয় রাউত অভিযোগ করেছিলেন, রাজ্য সরকার ব্যর্থ, এটা সবার সামনে প্রচার করার জন্য বিজেপিই সোনু সুদকে কাজে লাগিয়েছে। এই কথার জবাবে অভিনেতা বলেন, “কোনও বিশেষ রাজনৈতিক দল নয়, সবাই আমাকে সাহায্য করছে। যাঁরা কষ্ট পাচ্ছেন তাঁদের সাহায্য আমাদের সবাইকে মিলে করতে হবে। কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী পর্যন্ত প্রতিটি দল আমাকে সমর্থন করেছে।” মহারাষ্ট্র সরকারের সঙ্গে কোনও ভুল বোঝাবুঝি হয়নি বলেই দাবি করেছেন অভিনেতা।

শিবসেনার মুখপত্র সামনাতে সঞ্জয় রাউত লিখেছিলেন, “সোনু সুদ একজন অভিনেতা যাঁর কাজ হল অন্যের লিখে দেওয়া ডায়লগ বলা। সোনু সুদের মতো অনেকেই রয়েছেন যাঁরা কোনও রাজনৈতিক দলের হয়ে প্রচার করার জন্য অনেক টাকা পান। মহারাষ্ট্র সরকার যেভাবে ভিন রাজ্যের শ্রমিকদের খেয়াল রেখেছে তা আর কোনও সরকার রাখেনি।”

রবিবার উদ্ধব ঠাকরের সঙ্গে সাক্ষাতের বিষয়েও টুইট করেন রাউত। তিনি বলেন, “অবশেষে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির ঠিকানা পেলেন সোনু সুদ। তিনি মাতোশ্রী পৌঁছেছেন। জয় মহারাষ্ট্র।”

গত দু’মাস ধরে ভিন রাজ্যের শ্রমিকদের জন্য কাজ করছেন সোনু সুদ। নিজের টুইটারে এই বিষয়ে লেখেনও তিনি। সোনু বলেন, “শ্রমিক ভাই-বোনদের সঙ্গে আমার এই যাত্রাটা আমার জীবনের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। এটা সরাসরি হৃদয় থেকে আসছে। কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী পর্যন্ত যখনই কেউ আমার কাছ সাহায্য চেয়েছেন, আমি পুরো চেষ্টা করেছি তাঁদের পরিবারের সঙ্গে তাঁদের দেখা করাতে। ভবিষ্যতেও এই কাজ আমি করে যাব।”

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More