আরএসএস দফতরে মিঠুন, তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদ কেন গেরুয়া শিবিরে, জল্পনা

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: অনেক দিন পর প্রকাশ্যে দেখা গেল অভিনেতা তথা তৃণমূলের প্রাক্তন রাজ্যসভার সাংসদ মিঠুন চক্রবর্তীকে। বৃহস্পতিবার নাগপুরে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের দফতরে গিয়েছিলেন তিনি। আরএসএস-এর তাত্ত্বিক নেতা হেডগেওয়ারের সমাধিস্থলে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধাও জানান মিঠুন। তারপর সঙ্ঘের দফতরে  কার্যকর্তাদের সঙ্গে সৌজন্য বিনময় সেরে ফিরে যান।

    কিন্তু তৃণমূলের প্রাক্তন রাজ্যসভার সাংসদের গেরুয়া দফতরে যাওয়া নিয়ে স্বাভাবিক ভাবেই রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন শুরু হয়ে গিয়েছে। হঠাৎ আরএসএস দফতরে কেন গেলেন মিঠুন? এ ব্যাপারে অবশ্য আরএসএস বা মিঠুন, কোনও তরফেই কিছু বলা হয়নি।

    মাঝে বেশ কিছুটা সময় গুরুতর অসুস্থ ছিলেন ‘ডিস্কো ডান্সার’-এর নায়ক। পিঠের ব্যথা নিয়ে দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন ছিলেন লস এঞ্জেলেসের হাসপাতালে। কয়েক মাস আগেই দেশে ফিরেছেন। জানা গিয়েছে একটু একটু করে কাজও শুরু করেছেন মিঠুন। কিন্তু এ ভাবে প্রকাশ্যে তাঁকে দেখা গেল বেশ বড় সময় পর।

    একদা সিপিএম নেতা তথা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী প্রয়াত সুভাষ চক্রবর্তীর স্নেহধন্য ছিলেন মিঠুন। সুভাষবাবুর মৃত্যুর পর যখন তাঁর স্ত্রী রমলা চক্রবর্তীকে তৎকালীন পূর্ব বেলগাছিয়া কেন্দ্রে প্রার্থী করল সিপিএম, তখন তাঁর হয়ে প্রচারেও বেরিয়েছিলেন এই অভিনেতা। কিন্তু তারপর রাজ্যে পালাবদলের পর তৃণমূলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়তে থাকে তাঁর। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে রাজ্যসভার সাংসদও করেন। এর মধ্যেই চিটফাণ্ড দুর্নীতিতে নাম জড়ায় বর্ষীয়ান অভিনেতার। ইডি-র তদন্তের মুখে পড়তে হয় তাঁকে। আরএক তৃণমূলের রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ কেডি সিং-এর সংস্থা অ্যালকেমিস্টের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাস্যাডর ছিলেন মিঠুন।

    টাকা ফেরত দিয়ে তদন্ত থেকে আপাতত রেহাই মিলেছে তাঁর। এর মাঝে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই ছেড়ে দিয়েছেন রাজ্যসভার সদস্যপদও। বাংলার শাসক দলের সঙ্গেও দূরত্ব বজায় রেখে চলছেন বেশ কয়েক বছর। গত দুটো চলচ্চিত্র উৎসবেও দেখা যায়নি মিঠুনকে। এই পরিস্থিতি মিঠুনের আরএসএস দফতরে যাওয়া নিয়ে তাই নানা মহলে নানা ধারণা তৈরি হয়েছে। রাজ্যের এক কংগ্রেস নেতা কটাক্ষ করে বলেন, “এ তো দেখছি বাম থেকে রাম হলেন মিঠুন!”

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More