ডিসকোয়ালিফিকেশনের মামলা সরানো হোক সুপ্রিম কোর্টে, শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ রাজস্থানের ৬ বসপা বিধায়ক

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজস্থানে কংগ্রেস সরকার থাকবে কি থাকবে না, তা নিয়ে ডামাডোল এখনও চলছে। বিধানসভার অধিবেশন শুরু হলেই আস্থাভোটের সম্ভাবনা রয়েছে। তার মধ্যেই শচীন পাইলটের নেতৃত্বাধীন কংগ্রেসের ১৯ বিদ্রোহী বিধায়কের বিরুদ্ধে ডিসকোয়ালিফিকেশনের মামলা চলছে। মামলা চলছে বহুজন সমাজবাদী পার্টির ৬ বিধায়কের বিরুদ্ধেও। এই মামলা রাজস্থান হাইকোর্ট থেকে সুপ্রিম কোর্টে সরানোর আর্জি জানালেন ওই ছয় বিধায়ক।

গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত হন ওই ছয় বসপা বিধায়ক। সম্প্রতি রাজস্থানে কংগ্রেস ও বিজেপির চাপানউতোরের মাঝে বসপা নেত্রী মায়াবতী অভিযোগ করেন, তাঁদের ৬ বিধায়ককে টাকা দিয়ে নিজেদের দিকে করেছে কংগ্রেস। ওই ৬ বিধায়ক যাতে কংগ্রেসকে সমর্থন না করেন তার জন্য হুইপ জারি করেন তিনি। কিন্তু তা না মানায় রাজস্থান হাইকোর্টে ওই ৬ বিধায়কের বিধায়কপদ ডিসকোয়ালিফাই করার জন্য পিটিশন দায়ের করে বিজেপি ও বসপা।

হাইকোর্টের কাছে বিজেপি ও বসপা জোড়া পিটিশন দায়ের করে আবেদন করেছে এই ছয় বিধায়ককে ডিসকোয়ালিফাই করা হোক। তাহলেই বিধানসভার কাজে অংশ নিতে পারবেন না তাঁরা। এই ছয় বিধায়ক হলেন সন্দীপ যাদব, ওয়াজিব আলি, দীপচাঁদ খেরিয়া, লখান মীনা, যোগেন্দ্র আওয়ানা ও রাজেন্দ্র গুধা। আগামী সপ্তাহে রাজস্থান হাইকোর্টে সিঙ্গল বেঞ্চে ওই মামলার শুনানি হওয়ার কথা। তার আগেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন ওই বিধায়করা। এই মামলা সুপ্রিম কোর্টে সরাতে চান তাঁরা। সেই আবেদনই করেছেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার মায়াবতী আবেদন করেন কংগ্রেসের সঙ্গে ওই ছয় বসপা বিধায়কের যোগদানকে স্থগিত করুক হাইকোর্ট। সেই আবেদন খারিজ করেছে আদালত। এবার সিঙ্গল বেঞ্চে ওই মামলার শুনানি হবে।

জানা গিয়েছে, আগামী ১১ অগস্ট এই মামলার শুনানি হতে পারে। রাজস্থানে কংগ্রেস সরকার ধরে রাখার ক্ষেত্রে এই শুনানির বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। কারণ, গেহলট সরকারের সংখ্যাগরিষ্ঠতা একটা সরু সুতোর উপর ঝুলছে। একটু এদিক ওদিক হলেই সরকার পড়ে যেতে পারে।

এই মুহূর্তে অশোক গেহলটের দিকে সমর্থন রয়েছে ১০২ জন বিধায়কের। কিন্তু যদি বসপার ছয় বিধায়ককে ডিসকোয়ালিফাই করে আদালত, তাহলে তাঁদের দিকে সমর্থন কমে দাঁড়াবে ৯৬। অন্যদিকে বিরোধী শিবিরের কাছে সমর্থন রয়েছে ৯৮ জন বিধায়কের। কিন্তু যদি এই ছয় বিধায়ক ডিসকোয়ালিফাই হন, তাহলে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য দরকার পড়বে ৯৭টি আসন। কারণ সেক্ষেত্রে রাজস্থান বিধানসভায় আসনসংখ্যা ২০০ থেকে কমে ১৯৪ হবে। অর্থাৎ বিরোধী শিবিরের কাছে সংখ্যাগরিষ্ঠতা চলে আসবে। সেটাই ভাবাচ্ছে গেহলট শিবিরকে।

এখন দেখার বসপা বিধায়কদের এই আবেদনে শীর্ষ আদালত কী রায় দেয়।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More