শালিমার বাগে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড, পুড়ে মৃত তিন মহিলা, রাজধানী যেন জতুগৃহ

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভয়াবহ আগুন লাগল শালিমার বাগের একটি বাড়িতে। পুড়ে মৃত তিন মহিলা। জখম চারজন। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে দমকলের সাতটি ইঞ্জিন। মৃতের সংখ্যা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে দমকল সূত্রে খবর।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে খবর, শনিবার সন্ধের দিকে আগুন লেগে যায় ওই বাড়িটিতে। জানলা দিয়ে ধোঁয়া বেরোতে দেখে ছুটে আসেন এলাকার লোকজন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, আগুন খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। বাড়ির বেশিরভাগ অংশই পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

আগুন লাগার খবর পেয়েই দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যায় দমকলের সাতটি ইঞ্জিন। আগুন এখনও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি বলেই খবর। তিন শিশু-সহ ছ’জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। আগুন লাগার কারণ এখনও অজানা।

এদিন ভোরেই বিধ্বংসী আগুন লাগে পশ্চিম দিল্লির মুন্ডকা এলাকার একটি প্লাইউড কারখানায়। আগুন ছড়িয়ে পড়ে উল্টোদিকে থাকা একটি বাল্ব তৈরির কারখানাতেও। ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে দমকলের ১১টি ইঞ্জিন। হতাহতের কোনও খবর নেই।

গত এক সপ্তাহের মধ্যে রাজধানী যেন জতুগৃহে পরিণত হয়েছে। গত সপ্তাহেই ভোররাতে দিল্লির রানি ঝাঁসি রোডের আনাজ মান্ডি এলাকার চারতলা বাড়ির তিনতলায় আগুন লাগে। সেই সময় বাড়ির ভিতরে ঘুমিয়ে ছিলেন শ্রমিকরা। ব্যাগ, জুতো তৈরির ওই কারখানায় প্লাস্টিক, রেক্সিনের মতো দাহ্য বস্তু জমা করা ছিল প্রচুর পরিমাণে। দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে তিনতলা ও চারতলায়। দরজা, জানলা বন্ধ থাকার কারণে বাইরে বেরিয়ে আসতে পারেননি অধিকাংশই। ঝলসে যান অন্তত ৬৩ জন। হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁদের মধ্যে মৃত্যু হয় ৪৩ জনের।

আরও পড়ুন: উন্নাওয়ের নারকীয়তা ফের উত্তরপ্রদেশে, ধর্ষণ করে জ্যান্ত জ্বালিয়ে দিল তরুণীকে

পুলিশ জানিয়েছে, বিহার, উত্তরপ্রদেশের গ্রাম থেকে শ্রমিকরা কাজ করতে এসেছিলেন এই কারখানায়। শীতের রাতে সকলেই জানলা বন্ধ করে ঘুমোচ্ছিলেন। আগুন লেগেছে টের পাননি অনেকেই। ধীরে ধীরে আগুন বিরাট আকার নিয়ে ছড়িয়ে পড়লে বেরনোর চেষ্টা করেন শ্রমিকরা। শেষবার আত্মীয়, বন্ধুদের ফোন করে সাহায্য চেয়েছিলেন অনেকেই।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More