দিল্লিতে ২১ জনের মৃত্যুর পর শান্তির আবেদন প্রধানমন্ত্রীর, বললেন, ‘শান্তি ও সৌভ্রাতৃত্বই আমাদের ঐতিহ্য’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “শান্তি ও সৌভ্রাতৃত্বই আমাদের ঐতিহ্য। দিল্লির সমস্ত ভাই বোনেদের কাছে আবেদন করছি শান্তি ও সম্প্রীতির পরিবেশ বজায় রাখুন”।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: গত তিন দিন ধরে দিল্লিতে গোষ্ঠী সংঘর্ষে প্রাণ গিয়েছে একুশ জনের। সেই মৃত্যু মিছিল বাড়ছেই। এ হেন পরিস্থিতিতে অবশেষে মুখ খুললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বুধবার দুপুরে টুইট করে তিনি বলেন, “সকাল থেকে সবিস্তারে রিভিউ মিটিং করেছি। পুলিশ এবং অন্যান্য এজেন্সি শান্তি ও স্বাভাবিক অবস্থা ফেরানোর জন্য সবরকম চেষ্টা করছে”।
    প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “শান্তি ও সৌভ্রাতৃত্বই আমাদের ঐতিহ্য। দিল্লির সমস্ত ভাই বোনেদের কাছে আবেদন করছি শান্তি ও সম্প্রীতির পরিবেশ বজায় রাখুন”।

    দিল্লির পরিস্থিতি নিয়ে ইতিমধ্যে মোদী সরকারের উপর রাজনৈতিক চাপ তৈরি হতে শুরু করেছে। বুধবার সকালে এ ব্যাপারে ওয়ার্কিং কমিটির জরুরি বৈঠক ডাকেন কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গান্ধী। তার পর তিনি বলেন, দিল্লিতে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে মোদী সরকার। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর এখনই পদত্যাগ করা উচিত। দিল্লিতে অরবিন্দ কেজরিওয়াল সরকারেরও সমালোচনা করেছেন সনিয়া।

    তবে পুলিশ ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে দাবি করা হয়েছে এ দিন সকালের পর বড় কোনও অশান্তির ঘটনা ঘটেনি। গতকাল রাত থেকেই উত্তর-পূর্ব দিল্লিতে যাবতীয় জমায়েত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে চারটি থানা এলাকায় কার্ফু জারি করে দেখামাত্র গুলি চালনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পুলিশকে। শুধু তা নয়, আশপাশের দুই রাজ্য হরিয়ানা ও উত্তরপ্রদেশের সঙ্গে দিল্লির সীমান্তও সিল করে দেওয়া হয়েছে। কারণ অভিযোগ ছিল যে বাইরে থেকে লোক ঢুকে অশান্তি পাকাচ্ছে।
    এই পরিস্থিতিতে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল আজও দাবি করেছেন, রাজধানীতে সেনা মোতায়েন করা হোক। কারণ, পুলিশ মানুষকে নিরাপত্তা দিতে পারছে না।

    তবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কর্তাদের মতে, অশান্তির মধ্যেও রাজনীতি করে চলেছেন কেজরিওয়াল। দিল্লিতে যে ধরনের
    অশান্তি চলছে তা নিয়ন্ত্রণ ও দমন করতে পুলিশ ভালমতোই সক্ষম। পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে চলেও এসেছে। তবে হ্যাঁ, মানুষের মধ্যে একটা আতঙ্ক ও ভীতি তৈরি হয়েছে। পুলিশ ও সমস্ত কেন্দ্রীয় এজেন্সি চেষ্টা করছে দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনতে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More