পনেরোর কিশোরীকে গণধর্ষণ, নৃশংস নির্যাতনের ভিডিও ছড়াল অভিযুক্তরা, লজ্জা ফের যোগীরাজ্যে

পুলিশ জানিয়েছে, বছর পনেরোর এক কিশোরীর উপর নৃশংস নির্যাতন চালায় পাঁচ জন। গণধর্ষণের সেই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল করে দেয় অভিযুক্তরা।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: চোদ্দ বছরের এক কিশোরীকে যৌন হেনস্থা করে সেই ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দিয়েছিল অপরাধীরা। লজ্জায় আত্মঘাতী হয়েছিল সেই কিশোরী। এই ঘটনায় তোলপাড় হয়েছিল উত্তরপ্রদেশে। সেই রেশ থাকতে থাকতেই ফের লজ্জাজনক ঘটনা সামনে এল।

পুলিশ জানিয়েছে, বছর পনেরোর এক কিশোরীর উপর নৃশংস নির্যাতন চালায় পাঁচ জন। গণধর্ষণের সেই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল করে দেয় অভিযুক্তরা। ঘটনা সামনে আসতেই তড়ঘড়ি ব্যবস্থা নেয় রাজ্য প্রশাসন। ইন্টারনেট থেকে সেই ভিডিও মুছে দেওয়া হয়। সেই ভিডিও লিঙ্কের সূত্র ধরেই অপরাধীদের খোঁজ শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ।

ঘটনা এক সপ্তাহ আগেকার। সিতাপুরের বাসিন্দা ওই কিশোরীকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে অভিযুক্তরা। ঘটনার ভিডিও তুলে রাখে তারা। পুলিশ জানিয়েছে, নির্যাতিতার উপরে অকথ্য অত্যাচার চালানো হয়েছে। তাঁকে মারধরও করা হয়। প্রাণের হমকি দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্যপরীক্ষার জন্য আজ তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হবে।

সিতাপুরের পুলিশ সুপার রাকেশ প্রকাশ সিং জানিয়েছেন, গত ৭ সেপ্টেম্বর সুলতানপুরের ইমালিয়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। নির্যাতিতার পরিবার ধর্ষণের মামলা দায়ের করেছে। অভিযুক্তরা ক্রমাগত হুমকি দিয়ে যাচ্ছে এমন অভিযোগও করেছে মেয়েটির পরিবারের লোকজন। পুলিশ জানিয়েছে, লজ্জা ও আতঙ্কের কারণে মেয়েটি প্রথমে বাড়িতে কিছু বলেনি। পরে ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হয়ে যাওয়ায় এই খবর প্রকাশ্যে চলে আসে।

ইন্টারনেট থেকে এই ভিডিও তুলে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। আর কোনও সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে এই ভিডিও ভাইরাল হয়েছে কিনা সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

একের পর এক অপরাধমূলক ঘটনা ঘটেই চলেছে উত্তরপ্রদেশে। চলতি মাসের গোড়াতেই রাজ্যের লখিমপুর খেরি এলাকায় তিন বছরের একটি শিশুকে ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগ ওঠে। গ্রামেরই আর এক বাসিন্দার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনে শিশুটির পরিবার। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান ধর্ষণের পর ওই শিশুকে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে।

একমাস আগে এক মেডিক্যাল ছাত্রীর মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছিল আগ্রা মেডিক্যাল কলেজের কাছে। অভিযোগ উঠেছিল এক ডাক্তারের বিরুদ্ধে। পুলিশ জানিয়েছিল, মেয়েটির মাথায় ও গলায় ধারালো অস্ত্রের কোপ বসানো হয়েছিল। সারা শরীরে মারধরের ছাপও ছিল স্পষ্ট। হাপুর, লখিমপুরের, গোরক্ষপুর সহ উত্তরপ্রদেশের একাধিক এলাকায় নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা সামনে এসেছে এর মধ্যে। মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে  গোরক্ষপুরে। একটা ইটভাটার কাছ থেকে এক নাবালিকাকে উদ্ধার করে পুলিশ। ধর্ষণের পরে মেয়েটির সারা শরীর সিগারেটের ছ্যাঁকা দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছিল অভিযুক্তরা। ঘটনায় দু’জনকে গ্রেফতারও করা হয়েছে। এর আগে লখিমপুর জেলায় ১৩ বছরের একটি মেয়েকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে বলে খবর মেলে। পুলিশ জানায়, মেয়েটির উপরে নারকীয় নির্যাতন চালায় অপরাধীরা। কিশোরীর চোখ উপড়ে নেওয়া হয়েছিল, জিভ কেটে নেওয়া হয়েছিল। সেই ঘটনাতেও ধরা পড়েছে দু’জন।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More