মহুয়া গাছ পুজো নিয়ে বচসা ভোপালের গ্রামে, ১২ জন পুলিশকে মেরে মাথা ফাটিয়ে দিল গ্রামবাসীরা

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: মহুয়া গাছে নাকি আছে দৈবশক্তি। এই গাছ ছুঁলেই মিলবে দুরারোগ্য রোগ থেকে মুক্তি। গাছ-পুজো দিতে লাখ খানেক গ্রামবাসীর জমায়েত হয়েছিল ভোপালের হোসাংবাদের সাতপুরা বাঘ সংরক্ষণ কেন্দ্রের সীমান্ত লাগোয়া এলাকায়। পুলিশ মানা করলেই বিপত্তি বাধে। পুলিশের সঙ্গে খণ্ডযুদ্ধ বেধে যায় গ্রামবাসীদের। উত্তেজিত জনতা মেরে মাথা ফাটিয়ে দেয় পুলিশের। গুরুতর জখম সাব-ইনস্পেকটর, কনস্টেবল-সহ ১২ জন।

পুলিশ জানিয়েছে, ভোপালের নয়নগাঁও গ্রামের সীমান্ত লাগোয়া এলাকায় রয়েছে ওই মহুয়া গাছ। তারপর থেকেই শুরু হয়েছে সাতপুরা জাতীয় উদ্যানের বাফার জোন। এই এলাকা সংরক্ষিত। কিন্তু বনকর্মীদের নির্দেশ উপেক্ষা করে প্রায়ই এই গাছ পুজো দিতে ভিড় জমান গ্রামবাসীরা।

বিশেষ তিথি-পার্বণে এই ভিড়টা দ্বিগুণ হয়। পুলিশ জানিয়েছে, গত সেপ্টেম্বর থেকে নয়নগাঁও গ্রামে জড়ো হয়েছে প্রায় দু’লক্ষ মানুষ। ভোপাল তো বটেই ভিন্ রাজ্য থেকে মহুয়া গাছে পুজো দিতে ভিড় জমিয়েছে লোকজন। বুধবার গাছটিকে একবার ছুঁতে হুড়োহুড়ি শুরু হয়ে যায়। পদপিষ্ট হয়ে যাতে কেউ জখম না হন, সেই জন্যই তড়িঘড়ি ছুটে আসে পুলিশ। গ্রামবাসীদের ফিরে যেতে বললেই ঝামেলা শুরু হয়। উত্তেজিত জনতা ঘিরে ফেলে পুলিশের গাড়ি। শুরু হয় মারধর। পরে অতিরিক্ত বাহিনী এনে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ।

বাংখেড়ি থানার ইনচার্জ ঝারিয়া-সহ ১২ জনের অবস্থা গুরুতর। তাঁদের চিকিৎসা চলছে স্থানীয় হাসপাতালে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনায় এখনও অবধি কাউকে আটক করা হয়নি। গোটা এলাকা ঘিরে রেখেছে পুলিশ। গ্রামে শুরু হয়েছে টহলদারি।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More