উদ্ধার হওয়া সোনার হিসেবে কারচুপি! ক্লোজড নাগরাকাটার ওসি

৮৯

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: আসাম থেকে পাচারের জন্য আসছিল সোনা। রুদ্ধশ্বা অপারেশন চালিয়ে তা উদ্ধারও করেছিল জলপাইগুড়ির নাগরাকাটা থানার পুলিশ। ওসি সঞ্জু বর্মনের নেতৃত্বেই অভিযান চলেছিলসেই ওসিকেই ক্লোজ করা হল। সঞ্জু বর্মনের বিরুড্ধ্র বিচারবিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে।

অভিযোগ, যে পরিমাণ সোনা উদ্ধার হয়েছিল তার চেয়ে অনেক কম দেখানো হয়েছে। গোটা ঘটনায় তোলপাড় পড়ে গিয়েছে পুলিশ মহলে।

এই ঘটনায় জলপাইগুড়ি পুলিশ সুপার প্রদীপ কুমার যাদব টেলিফোনে জানান একটি নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে নাগরাকাটা থানার ওসি সঞ্জু বর্মনকে ক্লোজ করা হয়েছে। বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে। তবে কী বিষয়ে এই তদন্ত তা নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, এটি পুলিশের আভ্যন্তরীণ বিষয়। এ নিয়ে বাইরে মন্তব্য করা যায়না।

গত ১০ অক্টোবর দুপুরে নাগরাকাটা থানার পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে তল্লাশিতে নামে। বীরপাড়া, তেলিয়া পাড়া সেবক রোডে তল্লাশি চালানোর সময়ে একটি টাটার চার চাকা গাড়ি থেকে সোনার বিস্কুটগুলি উদ্ধার হয়। পুলিশ জানিয়েছে, অসমের গুয়াহাটি থেকে শিলিগুড়িতে নিয়ে আসা হচ্ছিল সেগুলি।

পুলিশ আরও জানায় দুটি প্যাকেটে মোট আট কেজি ৩০০ গ্রাম সোনার বিস্কুট মিলেছে। যার বাজার মূল্য কমবেশি চার কোটি টাকা।

ধৃতরা হল সন্তোষ গাজাগে, কৃষ্ণ মজুমদার এবং মনতোষ বিশ্বাস। এর মধ্যে সন্তোষের বাড়ি মহারাষ্ট্রের পুণেতে। কৃষ্ণ কোচবিহারের যুবক। আর গাড়ির চালক মনতোষ বিশ্বাস অসমের গুয়াহাটির বাসিন্দা।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More