রবিবার, আগস্ট ২৫

নিজের ফ্ল্যাট থেকে হাত কয়েক দূরে পড়ে দেহ, মুম্বইতে রহস্য মৃত্যু কোন্নগরের শিল্পীর

দ্য ওয়াল ব্যুরো: শেষ ফোনটা এসেছিল গত বৃহস্পতিবার। গোরেগাঁওতে নিজের ফ্ল্যাটে বসে মায়ের সঙ্গে অনেকক্ষণ কথা বলেছিলেন ছেলে। এর পর থেকেই তাঁর সঙ্গে সব যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। রবিবার সকালে সেই ছেলেরই মৃত্যু সংবাদ এসে পৌঁছয় তাঁর কোন্নগরের বাড়িতে।

পুলিশ জানিয়েছে, গোরেগাঁওতে নিজের ফ্ল্যাট থেকে বেশ কিছুটা দূরে শিল্পী কৃষ্ণেন্দু চৌধুরীর মৃতদেহ উদ্ধার হয়। প্রাথমিক ভাবে অনুমান খুন করা হয়েছে শিল্পীকে। তবে এখনও নিশ্চিত নয় পুলিশ।  ঘটনাস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহের কাজ শুরু হয়েছে। দেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। মুম্বইতে শিল্পীর বন্ধুদের সঙ্গে কথা বলছে পুলিশ।

কোন্নগরের স্কুলের পরে দমদমের আর্ট কলেজে পড়াশোনা করেছিলেন কৃষ্ণেন্দু। ২০০৮ সালে পাড়ি দেন মুম্বই। গোরেগাঁওতে একটি ফ্ল্যাটে একাই থাকতেন তিনি। সেখানে তাঁর একটি আর্ট স্কুল রয়েছে। মৃতের পরিবার জানিয়েছে, শেষ চার বছর কাজের চাপ অত্যন্ত বেড়েছিল কৃষ্ণেন্দুর। বাড়ি ফিরতে পারেননি তিনি। তবে মা ছায়া দেবীর সঙ্গে নিয়মিত ফোনে যোগাযোগ রাখতেন। শেষ ফোনটা আসে গত বৃহস্পতিবার।

মুম্বইতে কৃষ্ণেন্দুর বন্ধুরা পুলিশকে জানিয়েছে, গত তিন দিন ধরে তাঁরাও কৃষ্ণেন্দুর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছিলেন না। তাঁর ফোন সুইচড অফ বলছিল।  কোন্নগরের বাড়িতে ফোন করেও কিছু জানা যায়নি।

মৃতের পরিবার জানিয়েছে, শিল্পী হিসেবে নামডাক ছিল কৃষ্ণেন্দুর। তাঁর সঙ্গে কারও ঝামেলা বা মনোমালিন্যের কথা তাঁরা জানতেন না। কৃষ্ণেন্দু সে বিষয়ে কখনওই কিছু বলেননি। একই দাবি কোন্নগরে তাঁর প্রতিবেশীদেরও। এলাকায় ভালো ছেলে হিসেবেই পরিচিতি ছিল কৃষ্ণেন্দুর।

প্রাথমিক ভাবে খুন বলে মনে হলেও মৃত্যুর কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে বলে দাবি পুলিশের। তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে।

Comments are closed.