দু’লাখের বেশি করোনা টেস্ট হয়েছে মুম্বইতে, কোভিড পজিটিভিটির হার ২০.৪০%

করোনা পজিটিভ কেসের হার বার করা হয়, যতগুলি কোভিড টেস্ট করা হয়েছে তার মধ্যে কতজন রোগীর শরীরে ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে অর্থাৎ কতজন রোগী কোভিড পজিটিভ সেই সংখ্যা হিসেব করে। মে মাসের শুরুতে করোনা পজিটিভ রোগীর সংখ্যা যত ছিল, মে-র শেষ থেকে জুনের শুরু অবধি সেই সংখ্যা অনেকটাই বেড়েছে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: কোভিড টেস্টের সংখ্যা বাড়ছে দেশে। করোনা আক্রান্তদেরও তাই বেশি চিহ্নিত করা যাচ্ছে, এমনটাই জানিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক। দেশের মধ্যে মহারাষ্ট্রের করোনা সংক্রমণের হার যেহেতু উদ্বেগজনক তাই সে রাজ্যে কোভিড টেস্টের পরিমাণ অনেকটাই বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। বৃহন্মুম্বই পুরসভার তথ্য অনুযায়ী, মুম্বইতেই ২ লক্ষ ১২ হাজার কোভিড টেস্ট হয়েছে যার মধ্যে করোনা পজিটিভের হার ২০.৪০ শতাংশ।

    কোভিড পজিটিভিটি বা  করোনা পজিটিভ কেসের হার বার করা হয়, যতগুলি কোভিড টেস্ট করা হয়েছে তার মধ্যে কতজন রোগীর শরীরে ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে অর্থাৎ কতজন রোগী কোভিড পজিটিভ সেই সংখ্যা হিসেব করে। মে মাসের শুরুতে করোনা পজিটিভ রোগীর সংখ্যা যত ছিল, মে-র শেষ থেকে জুনের শুরু অবধি সেই সংখ্যা অনেকটাই বেড়েছে। রিপোর্ট বলছে, গত ৬ মে করোনা পজিটিভ কেসের হার ছিল ১০ শতাংশের কাছাকাছি। ১৩ মে সেটাই হয় ১১.৬%। ২১ মে-র পর থেকে কোভিড সংক্রমণ আরও বেশি জনের মধ্যে ধরা পড়ে। করোনা পজিটিভ কেসের হার পৌঁছয় ১৬.৫ শতাংশে। আর জুন মাসে সেই হারই ২০ শতাংশ ছাড়াতে চলেছে।

    বৃহন্মম্বুই মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের (বিএমসি) হিসেব বলছে, জুন মাসের প্রথম সপ্তাহে ১ লক্ষ ৯২ হাজার মানুষকে আলাদা করা হয়েছে যাঁদের কোভিড সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি। তাঁদের মধ্যে ডাক্তার-নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী, পুলিশকর্মী থেকে সাধারণ মানুষও রয়েছে। এই হাই-রিস্ক গ্রুপের ৩ লক্ষ ৫২ হাজারকে হোম-কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। বিএমসি-র কোয়ারেন্টাইন সেন্টারগুলিতে রয়েছে আরও ২৭ হাজার। বিএমসি-র অ্যাডিশনাল কমিশনার অশ্বিনী ভিড়ে বলেছেন, পুরসভার তত্ত্বাবধানে ১৯টি বেসরকারি ল্যাবরেটরিতে কোভিড টেস্ট করা হচ্ছে। মুম্বইতেই ২ লক্ষ ১২ হাজার টেস্টিং হয়েছে।

    কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের হিসেবে আজ, শুক্রবার পর্যন্ত মহারাষ্ট্রে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৭৭ হাজার ৭৯৩। করোনা অ্যাকটিভ কেস ৪১ হাজারের বেশি। রাজ্যের মধ্যে মুম্বইতেই সংক্রামিতের সংখ্যা বেশি। মে মাসের মাঝামাঝি মবম্বইতে কোভিড টেস্ট হয় ১ লক্ষ ২৭ হাজারের মতো, সেই সময় বাণিজ্যনগরীতে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১৪ হাজার ৭৮১। মে-র শেষের দিকেই দেড় লক্ষের বেশি কোভিড টেস্ট করা হয়।

    ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ (আইসিএমআর)-এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, দেশে এখনও ৪৩ লক্ষ ৮৬ হাজার ৩৭৯টি স্যাম্পেল টেস্ট হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় এক লক্ষের বেশি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। আইসিএমআর আগেই জানিয়েছিল, জুন মাস থেকে প্রতিদিনে গড়ে এক লক্ষের বেশি টেস্টিং করা হবে। সেটাই ধাপে ধাপে বেড়ে ২ লাখের কাছে পৌঁছবে। বর্তমানে দেশের ৪৩১ টি সরকারি ও ১৭৮টি বেসরকারি ল্যাবে কোভিড টেস্টিং চলছে। প্রতিটি ল্যাবের পরিকাঠামো এমনভাবে গড়ে তোলা হয়েছে যাতে প্রতি দিনে প্রায় দেড় লক্ষের মতো স্যাম্পেল নির্ভুলভাবে টেস্ট করা যায়। কোভিড সংক্রমণ নির্ভুলভাবে ধরতে এনজাইম নির্ভর এলাইজা টেস্টও শুরু করছে আইসিএমআর। আইজিজি (IgG) এলাইজা টেস্ট (ELISA) কিট বানিয়েছে পুণের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ভাইরোলজি (এনআইভি)। তাদের প্রোটোটাইপ নিয়েই বাণিজ্যিক হারে এই টেস্ট কিট তৈরি করছে  দেশের অন্যতম বড় ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি জাইদাস ক্যাডিলা।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More