মঙ্গলবার, অক্টোবর ১৫

অন্তঃসত্ত্বা সেজে ফোটোশ্যুট হবু বাবার, কুর্নিশ করল নেট-দুনিয়া! কারণ জানলে মন ভিজবে আপনারও

দ্য ওয়াল ব্যুরো: তাঁর খুব ইচ্ছে ছিল, অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় ফোটোশ্যুট করবেন। কিন্তু শারীরিক অসুস্থতা সে ইচ্ছে পূরণে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রায়ই দেখতেন, জলে নেমে বা সবুজ ঘন গাছের আড়ালে সুন্দর সুন্দর ফোটো তুলে পোস্ট করেছেন অন্তঃসত্ত্বারা। কিন্তু জল বা গাছ দূরের কথা, বিছানা থেকে নামাই সম্ভব হচ্ছিল না তাঁর পক্ষে। কিন্তু তাই বলে কি কেন্টাকির বাসিন্দা কেলসে ব্রিউয়ারের ইচ্ছে পূরণ হবে না?

স্বামী জার্ড ব্রিউয়ার ঠিক করেছিলেন, তিনি থাকতে এমনটা হতে দেবেন না। প্রেগন্যান্ট ফোটোশ্যুট হবেই। তার উপরে শারীরিক অসুস্থতাজনিত হতাশা থেকেও স্ত্রীকে সারিয়ে তোলার প্রয়োজন আছে। তাই তিনি নিজেই গেলেন একটি ঝর্নার কাছে। সঙ্গে কেলসে-র বোন। তাঁর হাতে ক্যামেরা। জার্ড জলে নেমে ভুঁড়ি বাগিয়ে পোজ় দিলেন অন্তঃসত্ত্বা মায়ের মতোই। তাঁর ভুঁড়ির ভিতরেই যেন বাড়ছে ছোট্ট সন্তান। সেই ছবিই তোলা হল। পোস্ট হল ফেসবুকে।

আর বলাই বাহুল্য, এ ছবি পোস্ট হওয়ার পরেই তা ভাইরাল। হেসে গড়াচ্ছেন নেটিজেনরা। সেই সঙ্গে হবু বাবার এমন সাপোর্টিভ ভূমিকা মুগ্ধ করেছে অনেককে। অনেকেই বলছেন, পিতৃতন্ত্রের চেনা ছক ভেঙে চুরমার করে দিয়েছেন জার্ড।

দেখুন সেই পোস্ট।

We are located in Kentucky – However we love to travel!! ✈️When Kelsey got placed on bedrest the week of her maternity…

K.M. Smither Photography এতে পোস্ট করেছেন বুধবার, 25 সেপ্টেম্বর, 2019

দিন কয়েক আগেই ফুটফুটে এক সুস্থ পুত্র সন্তানের জন্ম দিয়েছেন কেলসে। তাঁর কথায়, “খুব শরীর খারাপ ছিল আমার। একা একা টয়লেটেও যেতে পারছিলাম না। সেই সঙ্গে অসম্ভব মানসিক হতাশা। মন ভাল হচ্ছিল না কিছুতেই। কিন্তু ওর বাবা যা করল, তার পরে আর না হেসে উপায় কী! সব আক্ষেপ, সব হতাশা হাওয়া হয়ে গেছিল।”

সব হতাশা হাওয়া হয়ে গেছে নেটিজেনদেরও। এই অভিনব ফোটোশ্যুট দেখে ভারী মজা পেয়েছেন তাঁরা। তাই প্রায় ৫০ হাজার জন শেয়ার করেছেন এই পোস্ট। কমেন্টও পড়েছে কয়েক হাজার। কেউ লিখেছেন, “স্ত্রীয়ের জন্য দারুণ এক কাজ করলেন মানুষটি!” কেউ আবার তাঁকে ‘হাজ়বেন্ড অফ দ্য ইয়ার’-ও আখ্যা দিয়েছেন। কেউ বলেছেন, এত মিষ্টি ভারবাসার গল্প আর হয় না।

কেলসে বলছেন, “আমি কখনও ভাবতে পারিনি, আমায় খুশি করার জন্য ও এই কাজ করতে পারে!”

Comments are closed.