নিঃসন্তান দম্পতি মারা গেলে প্রোমোটারকে বাড়ি দখল করতে দেব না: মমতা

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: গত ৪৮ ঘণ্টায় কলকাতা ও শহরতলিতে পর পর দুই নিঃসন্তান দম্পতি খুন হয়েছেন। একটি ঘটনা ঘটেছে নেতাজি নগরে, অন্যটি নরেন্দ্রপুরে। তা নিয়ে যখন গোটা শহর জুড়ে আলোড়ন পড়ে গিয়েছে, তখন পুলিশ প্রশাসনকে কঠোর বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

    বুধবার নবান্নে সাংবাদিকদের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “পুলিশকে বলেছি, নিঃসন্তান দম্পতির এ ভাবে খুন হলে ওই বাড়ি যেন কোনও ভাবেই প্রোমোটার দখল করতে না পারে। এলাকার মানুষকে এ ব্যাপারে সচেতন হতে হবে। বাড়িটি ওই দম্পতির স্মৃতিতে সংগ্রহশালা করা যেতে পারে।”

    শহরেরর পুরনো বাড়ি দখলের জন্য এলাকার প্রোমোটারের অত্যাচারের কাহিনী কলকাতায় নতুন নয়। হুমকি, শাসানি থেকে শুরু করে খুন খারাপির ঘটনা পর্যন্ত হয়েছে অতীতে।

    শুধু কলকাতা কেন, ইদানীং শহরতলিতেও এ ধরনের ঘটনার প্রবণতা তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি হিন্দমোটরের বৈদিকপাড়ায় এক প্রৌঢ়ার মৃত্যুর পর তাঁর বাড়ি দখলের চেষ্টায় নেমেছিল স্থানীয় কিছু প্রোমোটার। কিন্তু এলাকার মানুষের বাধায় তা সফল হয়নি।

    নেতাজি নগরের ঘটনা নিয়েও তেমনই সন্দেহ করছে পুলিশ। অশোক অ্যাভিনিউয়ের পুরনো দোতলা বাড়িতে বহু বছরের বাস ছিল দিলীপ মুখোপাধ্যায় ও তাঁর স্ত্রী স্বপ্নার। তাঁদের কোনও সন্তান ছিল না। পাড়াতে সকলের সঙ্গেই ভালো সম্পর্ক ছিল বৃদ্ধ দম্পতির। পাড়ার লোকের থেকেই খবর পেয়ে, গত পরশু পুলিশ গিয়ে দেখে, নিজেদের ঘরেই রক্তাক্ত অবস্থায় পড়েছিলেন ওই দম্পতি।

    খুনের ঘটনা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে প্রশ্ন করার আগেই তিনি এ দিন উদ্বেগ জানান। মমতা বলেন, আমি পুলিশকে বলেছি নেতাজি নগর ও নরেন্দ্রপুর- দু’টি খুনের ঘটনা নিয়েই যেন সিরিয়াসলি তদন্ত করে। দোষীদের দ্রুত ধরার ব্যবস্থা করে। এ ব্যাপারে তদন্তও ঠিকঠাক এগোচ্ছে। এর পরই প্রোমোটার চক্রের কারসাজি নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী।

    আরও পড়ুন:

    একা মহিলার মৃত্যু, বাড়ির দখল রুখতে একজোট পড়শিরা

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More