কলকাতা ও হাওড়ায় সব শপিং মল, রেস্তোরাঁ ও হোটেল কি খুলবে লকডাউনের পঞ্চম দফায়, হয়তো না

এখন বড় প্রশ্ন হল, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের এই নির্দেশের পর কলকাতা ও হাওড়ার সমস্ত শপিং কমপ্লেক্স ও হোটেল-রেস্তোরাঁ কি খুলে যাবে?

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: শনিবার সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক জানিয়ে দিয়েছে, লকডাউনের মেয়াদ আরও বেড়ে তা ৩০ জুন পর্যন্ত চলবে। কিন্তু তা কেবলই কনটেইনমেন্ট জোনের মধ্যে। তার বাইরে এ বার আনলক শুরু হল। আর সেই আনলক তথা তালা খোলার প্রক্রিয়ার প্রথম ধাপে ৮ জুন থেকে খুলে যাবে সমস্ত হোটেল, রেস্তোরাঁ, শপিং মল ও ধর্মস্থান। কারণ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক তথা কেন্দ্রীয় সরকারের মতে, এ বার অর্থনৈতিক কার্যকলাপ একটু একটু করে খুলে দেওয়ার সময় আসন্ন।
    প্রসঙ্গত, লকডাউনের তৃতীয় দফা থেকেই বেসরকারি অফিস খোলার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। আবার চতুর্থ দফায় সমস্ত স্ট্যান্ড অ্যালোন দোকান, অর্থাৎ শপিং কমপ্লেক্স বা বাজারের বাইরের দোকান খোলার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।

    এখন বড় প্রশ্ন হল, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের এই নির্দেশের পর কলকাতা ও হাওড়ার সমস্ত শপিং কমপ্লেক্স ও হোটেল-রেস্তোরাঁ কি খুলে যাবে?

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের এই নির্দেশের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে রাজ্য সরকার হয়তো কাল বা সোমবার এ ব্যাপারে বিশদে ঘোষণা করবে। তবে আমলাদের একাংশের মতে, কলকাতা ও হাওড়ায় সমস্ত হোটেল-রেস্তোরাঁ বা শপিং কমপ্লেক্স খোলা মুশকিল। কলকাতায় কনটেইনমেন্ট জোনের সংখ্যা আগের থেকে কমেছে ঠিকই। কিন্তু এখনও ২৮৬টি কনটেইনমেন্ট জোন রয়েছে (গতকাল পর্যন্ত হিসাব অনুযায়ী)। হাওড়াতে কনটেইনমেন্ট জোনের সংখ্যা ৭৬টি। ফলে ওই সব এলাকায় হোটেল, রেস্তোরাঁ খোলা হয়তো যাবে না। কারণ, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের নির্দেশ অনুসারে কনটেইনমেন্ট জোনগুলিতে জরুরি পরিষেবা ছাড়া কিছুই শুরু করা যাবে না।

    প্রসঙ্গত, শনিবারও কলকাতায় নতুন ৮০ জনের শরীরে কোভিডের সংক্রমণ ধরা পড়েছে। সেই সঙ্গে হাওড়ায় আরও ৪২ জনের শরীরে করোনার সংক্রমণ পাওয়া গিয়েছে। কলকাতায় এখনও পর্যন্ত কোভিড আক্রান্ত হয়েছেন ২০৫৩ জন।
    তা ছাড়া শনিবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছে, পঞ্চম দফার লকডাউনে কনটেইনমেন্ট জোনের পরিধি স্পষ্ট করে চিহ্নিত করতে হবে স্থানীয় প্রশাসনকে। পরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের এক কর্তা বলেন, এই দফায় যেহেতু অর্থনৈতিক কাজকর্ম শুরু করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তাই স্পষ্ট করে পরিধি চিহ্নিত করা জরুরি নইলে। মানুষ বিভ্রান্ত হতে পারেন। তাতে লকডাউনের উদ্দেশ্য বিফলে যেতে পারে।

     

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More