চিটফান্ড তদন্তে রাজীব কুমারের সিট কি অকেজো ছিল? প্রশ্ন তুলে দিল শতাব্দীর চিঠিই

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: সারদা, রোজভ্যালি সহ বহু হাজার কোটি টাকা চিটফান্ড কেলেঙ্কারির তদন্তে রাজ্য সরকার গঠিত স্পেশাল ইনভেস্টিগেটিং টিম কতটা কার্যকরী ছিল তা নিয়ে এ বার জোরালো প্রশ্ন তুলে দিলেন বিরোধীরা। তাঁদের বক্তব্য, মিঠুন চক্রবর্তী-শতাব্দী রায়ই প্রমাণ করে দিচ্ছেন প্রভাবশালীদের আড়াল করতে চেয়েছিল সিট।
    সুপ্রিম কোর্টে সিবিআই এর আগে বারবার অভিযোগ করেছে যে, বিধাননগরের প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারের নেতৃত্বাধীন সিট চিটফান্ড কাণ্ডে প্রভাবশালীদের আড়াল করার চেষ্টা করেছিল। চিটফান্ড কাণ্ডের তথ্য ও প্রমাণ লোপাট করে প্রভাবশালীদের বাঁচানোর জন্যই কাজ করছিল সিট।

    প্রসঙ্গত চিটফান্ড তদন্তে নেমে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট তাঁকে নোটিস পাঠানোর পর সারদা-র থেকে নেওয়া টাকা ফেরত দিয়েছিলেন অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। তখন তৃণমূলের রাজ্যসভা সাংসদ ছিলেন মিঠুন। পরে রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেন তিনি। এ বার তৃণমূল সাংসদ তথা অভিনেত্রী শতাব্দী রায়ও ইডি-কে চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন, তিনি সারদার থেকে নেওয়া ২৯ লক্ষ টাকা ফেরত দিতে চান। বিরোধীরা প্রশ্ন তুলেছেন–

    এক,এতোদিন পর কেন বিবেক জাগ্রত হল শতাব্দীর? তিনি আগে কেন টাকা ফেরত দিতে চাননি। কারণ, চিটফান্ড তদন্তে পাঁচ বছর আগে থেকেই শতাব্দীকে একাধিকবার জেরার জন্য ডেকেছিল কেন্দ্রীয় তদন্ত এজেন্সি।

    দুই, বিরোধীদের এর থেকেও বড় প্রশ্ন হল, কেন মিঠুন বা শতাব্দীকে জেরার জন্য ডাকেনি সিট। তা হলে কি তৃণমূল সাংসদদের আড়াল করতে চাইছিল রাজ্য সরকার গঠিত তদন্ত কমিটি?

    তিন, শতাব্দী আগে দাবি করেছিলেন তিনি সারদার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাস্যাডর ছিলেন না। তা হলে প্রশ্ন হল, কেন তাঁকে ২৯ লক্ষ টাকা দিয়েছিল সারদা?

    বিধানসভার বিরোধী দলনেতা তথা প্রবীণ কংগ্রেস নেতা আবদুল মান্নান বলেন, রাজ্য সরকার গঠিত তদন্ত কমিটি যে দোষীদের বাঁচানোর চেষ্টা করছিল সে ব্যাপারে গোড়া থেকেই অভিযোগ করেছি। তা এখন প্রমাণ হয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে বাম পরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, কেউই ধোয়া তুলসীপাতা নয়। রাজ্য সরকার গঠিত কমিটি যেমন প্রভাবশালীদের আড়াল করার চেষ্টা করেছিল বলে সন্দেহ, তেমনই সিবিআই-ইডি চিটফান্ড কাণ্ডের তদন্ত করছে পাঁচ বছর হয়ে গেল।

    সিপিএম চায়, দ্রুত তদন্তের নিষ্পত্তি করে দোষীদের সাজা হোক। গরিব মানুষের টাকা ফেরত দেওয়া হোক।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More