সেপটিক ট্যাঙ্ক থেকে উদ্ধার তরুণের পচাগলা দেহ, চাঞ্চল্য দমদমে

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: নববর্ষের রাতে বন্ধুদের সঙ্গে পিকনিক করতে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছিলেন তরুণ। চারদিন পরে আজ, রবিবার ভোরে দমদমের প্রমোদনগরের কাছে একটি সেপটিক ট্যাঙ্ক থেকে উদ্ধার হয় তাঁর পচাগলা দেহ। পুলিশ জানিয়েছে, তরুণের দেহে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। খুন করে তাঁর দেহ সেপটিক ট্যাঙ্কে ফেলে দেওয়া হয়েছিল বলেই ধারণা পুলিশের। ঘটনার তদন্তে নেমেছে দমদম থানার পুলিশ।

    আজ ভোর থেকেই ব্যাপক উত্তেজনা রয়েছে প্রমোদনগর এলাকায়।  পুরসভার ভ্যাটের ১৫ ফুট গভীর সেপটিক ট্যাঙ্ক থেকে তরুণের দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মৃতের নাম পল্লব হাজারি। প্রমোদনগরেরই বাসিন্দা। বয়স ১৯ বছর। পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলেই এই ব্যাপারে বিস্তারিত বলা যাবে। তবে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, নববর্ষের রাতেই খুন করা হয় পল্লবকে। প্রমাণ লোপাটের জন্য দেহ ফেলে দেওয়া হয় সেপটিক ট্যাঙ্কে।

    মৃতের পরিবার জানিয়েছে, নববর্ষের রাতে দুই বন্ধুকে নিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান পল্লব। বাড়িতে বলে গিয়েছিলেন পিকনিক করতে যাচ্ছেন। তারপর থেকে পল্লবের আর কোনও খোঁজ মেলেনি। বাকি দুই বন্ধু বাড়ি ফিরলেও, ফেরেননি পল্লব। মৃতের মা জানিয়েছেন, বার বার ফোন করলেও সেই ফোন ধরেননি তিনি। পরে তাঁর ফোন সুইচড অফ বলছিল। পরদিন ১ জানুয়ারি থানায় নিখোঁজ ডায়রি করেন পল্লবের মা। থানায় গিয়েছিলেন তাঁর দুই বন্ধুও।

    আরও পড়ুন: বর্ধমান স্টেশনে বিল্ডিং ভেঙে মৃত ১, তদন্ত কমিটি গঠন রেলের

    পুলিশ জানিয়েছে, পল্লবের দুই বন্ধুর আচরণ ছিল সন্দেহজনক। তাঁদের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পল্লবের মায়ের দাবি, তাঁর ছেলের পকেটে ওই দিন ৮০০ টাকা ছিল। সেই টাকার লোভেই খুন করা হয়েছে তাঁকে। যদিও পুলিশের অনুমান, শুধুমাত্র টাকার কারণে খুন করা হয়নি তরুণকে। এই ঘটনার পিছনে অন্য কারণও থাকতে পারে। ত্রিকোণ প্রেমের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

    পল্লবকে ঠিক কোথায় খুন করা হয়েছিল সেটা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছে পরিবার।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More