কোভিড বিধি মেনে খুলল নিকো পার্ক, মুখে হাসি কর্তাদের

কলকাতার অন্যতম বড় বিনোদন পার্ক নিকো পার্ক খুলে গেছে আজ সকাল থেকেই। পঞ্চম আনলক পর্বে কেন্দ্রের বেঁধে দেওয়া গাইডলাইন মেনে, স্বাস্থ্যবিধি খেয়াল রেখেই পার্ক খোলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ।

৫৪

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: আনলক পর্বে একে একে তালা খুলছে। হোটেল, রেস্তোরাঁ, জিম খুলেছিল আগেই। আজ থেকে দরজা খুলল সিনেমা হল ও বিনোদন পার্কের। কলকাতার অন্যতম বড় বিনোদন পার্ক নিকো পার্ক খুলে গেছে আজ সকাল থেকেই। পঞ্চম আনলক পর্বে কেন্দ্রের বেঁধে দেওয়া গাইডলাইন মেনে, স্বাস্থ্যবিধি খেয়াল রেখেই পার্ক খোলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ।

দেশে লকডাউন চালুর পর থেকে সেই ২২ মার্চ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল নিকো পার্ক। গত সেপ্টেম্বরেই কলকাতার একাধিক বিনোদন পার্ক খোলার আবেদন জানিয়েছিলেন কর্তৃপক্ষরা। তবে এই ধরনের বিনোদন পার্কে যেহেতু রেস্তোরাঁ, ব্যাঙ্কোয়েট হল, ওয়াটার পার্ক, রাইডস সবই থাকে তাই কোভিড সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় পার্ক খোলায় অনুমতি পাওয়া যায়নি। নিকো পার্ক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, গতকাল থেকেই পার্কের স্যানিটাইজেশনের কাজ শুরু হয়ে গিয়েছিল। সমস্ত রাইডস স্যানিটাইজ করা হয়েছে। পার্কে আসা লোকজনের হাতেও স্যানিটাইজার দেওয়া হচ্ছে।

তবে পার্ক খুললেও কিছু নিয়ম মানতে হবে লোকজনকে। যেমন, ফেস-মাস্ক বাধ্যতামূলক। পারস্পরিক দূরত্ববিধি মেনে চলতে হবে। পার্কে ঢোকার মুখে হ্যান্ড-স্যানিটাইজার দেওয়া হলেও সঙ্গে করে স্যানিটাইজার নিয়ে যেতে হবে।

দীর্ঘ লকডাউনে বিপুল ক্ষতির মুখোমুখি হতে হয়েছে। তবে সরকারি সিদ্ধান্তে পার্ক খুলে যাওয়া কর্মচারীদের মুখে হাসি ফুটেছে। কিছুটা হলেও বিশ্বাস ফিরে এসেছে, বলেছেন নিকো পার্কের সিইও ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর অভিজিৎ দত্ত। তিনি বলেছেন, “আমরা সবরকম সুরক্ষাবিধি মেনে চলছি। পার্কের মূল প্রবেশপথে থার্মাল স্ক্রিনিং করা হচ্ছে। ভেতরে ঢোকার আগে শরীরের তাপমাত্রা মাপা হবে। মাস্ক পরেই ঢোকা যাবে পার্কে। স্যানিটাইজার দেওয়া হবে যাঁরা ভিতরে ঢুকবেন। সোশ্যাল ডিস্টেন্সিংয়ের নিয়ম মেনে চলা হবে।”

আজ সকালে পার্ক খোলার পরে খুব বেশি লোকজন দেখা যায়নি। অভিজিতবাবু বললেন, এখনও ভয় আর আতঙ্ক সকলের মধ্যেই রয়েছে। বর্তমানে করোনা যে ভাবে ছড়াচ্ছে, তাতে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিনোদন পার্ক নিয়ে কোনও চিন্তা না আসাই স্বাভাবিক। স্কুল-কলেজ থেকে শুরু করে অনেক প্রয়োজনীয় পরিষেবাই এখন বন্ধ। এই পরিস্থিতিতে কতজন বিনোদন পার্কে আসবেন সে নিয়েও প্রশ্ন থেকেই যায়। তবে ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে। এতদিন পার্ক বন্ধ থাকায় আয়ের খাতা প্রায় শূন্য। অথচ রাইডগুলির নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করতে হয়েছে। পার্কের পরিচ্ছন্নতা ও স্যানিটাইজ করার কাজেও খরচ হয়েছে বেশি। তাছাড়া এতদিন পার্ক বন্ধ থাকার কারণে কর্মচারীরাও হতাশায় ভুগছিলেন। আজকের পর থেকে তাঁদের মনেও একটা আশা তৈরি হবে বলে জানিয়েছেন অভিজিতবাবু।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More