বাঁচানো গেল না ফুটন্ত ভাতের হাঁড়িতে পড়ে যাওয়া ছোট্ট দীপান্বিতাকে

0

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভাড়াটে-বাড়িওয়ালা বিবাদের জেরে ফুটন্ত ভাতের হাঁড়িতে পড়ে গিয়েছিল বছর তিনেকের ছোট্ট দীপান্বিতা। শরীরের প্রায় ৭০ শতাংশ পুড়ে যায় তার। আশঙ্কাজনক অবস্থায় এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করেও শেষে পর্যন্ত বাঁচানো গেল না এই ছোট্ট শিশুকে।

    উল্টোডাঙ্গার দাস পাড়ার একটি বাড়িতে ভাড়া থাকতেন সুষেন কুমার ভূঁইয়া এবং রাজকুমার শ’য়ের পরিবার। সুষেন বাবুর দাবি বেশ কিছুদিন আগে বাড়ির মালিকের থেকে বাড়িটি কিনে নেন তিনি। তার পর থেকেই গণ্ডগোল শুরু হয়ে আরেক ভাড়াটে রাজকুমার শ’য়ের সঙ্গে। সুষেন ভুঁইয়া পেশায় গাড়িচালক। তাঁর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই বাড়িভাড়া দিচ্ছিলেন না ভাড়াটে রাজকুমার শ। গোটা বাড়িটাই ধীরে ধীরে দখল করে নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন তিনি।

    স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, বাড়িভাড়া সংক্রান্ত গন্ডগোলের জেরে দুই পরিবারের মধ্যে বিবাদ লেগেই ছিল। ১০ অগস্ট সেই বিবাদ চরমে ওঠে। অভিযোগ সে দিন সন্ধ্যায় সুষেনবাবুর ২ বছর ১০ মাসের কন্যা সন্তান দীপান্বিতা সন্ধ্যা বেলা বাড়ির সামনে খেলা করছিল। সেই সময় রাজকুমারের স্ত্রী সেই শিশুটিকে ঘরে ডাকেন। অভিযোগ তার কিছুক্ষন পরেই সেই ঘরের ভিতর থেকে শিশুটির চিৎকার শুনে বাইরে বেরিয়ে আসেন সুষেন বাবুর স্ত্রী এবং দেখেন তার মেয়ের একদিক আগুনে ঝলসে গিয়েছে।

    এই ঘটনায় গুরুতর জখম হয় শিশুটি। ছোট্ট দীপান্বিতার মুখ, বুক ও হাতের একাধিক অংশের চামড়া ঝলসে যায়। সঙ্গে সঙ্গে তাকে এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ডাক্তারেরা জানিয়েছেন ৭০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল দীপান্বিতার। তাই অনেক চেষ্টা করেও তাঁরা দীপান্বিতাকে বাঁচাতে পারেনি। তার দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।

    এই ঘটনায় মঙ্গলবারই উল্টোডাঙ্গা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিল দীপান্বিতার পরিবার। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কাওকে গ্রেফতার করা হয়নি বলেই জানা গিয়েছে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Leave A Reply

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More